Click Below

Breaking

Know more

Search

সোমবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮

2019 Madhyamik History :- টীকা- জাতীয় শিক্ষা পরিষদ

প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা, এই ব্লগের মাধ্যমে 2019 মাধ্যমিক পরীক্ষায় আসতে পারে একটি 4 নম্বর প্রশ্নের উত্তর আলোচনা করব। প্রশ্নটি পঞ্চম অধ্যায়ের প্রশ্ন। চলো দেখে নেওয়া যাক প্রশ্নটা কী?
Madhyamik exam
Madhyamik Exam

টীকা:- জাতীয় শিক্ষা পরিষদ
উত্তর:-
সূচনা:-
ব্রিটিশ আমলে লর্ড কার্জনের সময় 1905 সালে বাংলা দ্বিখন্ডিত করার পর স্বদেশী আন্দোলন শুরু হলে ব্রিটিশ শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প রূপে দেশীয় প্রগতিশীল স্বদেশী ধাঁচে একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার একটা উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং এরই বাস্তব রূপায়ন হল 1906 সালে জাতীয় শিক্ষা পরিষদের প্রতিষ্ঠা।

প্রতিষ্ঠা:-
সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর সভাপতিত্বে 92 জন সদস্য ও তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন হীরেন্দ্রনাথ দত্ত, সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায়, আশুতোষ চৌধুরী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ ব্যক্তিদের নিয়ে 1906 সালে শিক্ষা পরিষদ গঠিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন রাসবিহারী ঘোষ এবং প্রসঙ্গত উল্লেখ্য জাতীয় শিক্ষা কথাটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন প্রসন্নকুমার ঠাকুর।

উদ্দেশ্য:-
জাতীয় শিক্ষা পরিষদ গঠনের উদ্দেশ্য ছিল।
1. স্বদেশী ধাঁচে শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
2. শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশ সেবার মনোভাব জাগিয়ে তোলা।
3. নৈতিক শিক্ষা দান করা।
4. মাতৃভাষা বিশেষত বাংলা ভাষার মাধ্যমে শিক্ষার প্রসার ঘটানো।
5. বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা দান করা প্রভৃতি।

কার্যক্রম:-
এই পরিষদের কর্তৃপক্ষ নিজেদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য সাহিত্য, কলা, বিজ্ঞান, কারিগরি প্রভৃতি শিক্ষার বিষয়ে নিজেরাই পাঠক্রম তৈরি করেন এর অধীনে বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং কলকাতা, ঢাকা,দিনাজপুর, মালদহ প্রভৃতি স্থানে বহু বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথমদিকে এটির অধীনে কারিগরি শিক্ষার জন্য তারকনাথ পালিত "বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট" প্রতিষ্ঠা করেন।

ব্যর্থতা:-
বিভিন্ন কারণে জাতীয় শিক্ষা পরিষদ ব্যর্থ হয়েছিল। যথা:-
1. এর প্রতি সরকারের কোন স্বীকৃতি ছিলনা।
2. এর ডিগ্রী দিয়ে কোন সরকারি চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল না।
3. সর্বোপরি সরকারের প্রবল বিরোধিতা ও আর্থিক অনটন এই প্রতিষ্ঠানকে পতনের মুখে ঠেলে দেয়।

মূল্যায়ন:-
উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করতে না পারলেও এর গুরুত্বকে কখনোই অস্বীকার করা যায় না।কারণ এই প্রতিষ্ঠানে প্রথম জাতীয় শিক্ষানীতি নিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল পরবর্তীকালে এর সূত্র ধরে "যাদবপুর কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং" তথা "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়" গঠিত হয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here