উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান
প্রশ্ন ও উত্তর
ভারতের বিচার বিভাগ (নবম অধ্যায়) | HS Political science Question and Answer
ভারতের বিচার বিভাগ (নবম অধ্যায়) – উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর রাষ্ট্রবিজ্ঞান প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Political science Question and Answer
• MCQ - নিচের প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো | উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – ভারতের বিচার বিভাগ (নবম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | HS Political science Question and Answer :
১)সুপ্রিমকর্টের বিচারপতি হলে ন্যূনতম বয়স – ৩৫ বছর।
২)সুপ্রিমকর্টের কার্যক্ষেত্রকে মূলত কটি ভাগে ভাগ করা যায় ?
চার ভাগে।
৩)সুপ্রিকোর্টের বিচারপতিদের পদচ্যুত করেন – রাষ্ট্রপতি।
৪)জেলার সর্বচ্চ আদালত – জেলা জজের আদালত।
৫)কলকাতা হাইকর্টের বিচারপতিকে নিয়োগ করেন – রাষ্ট্রপতি।
৬)সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতি দের অবসর গ্রহণের বয়স – ৬০ বছর।
৭)স্বাধীন ভারতের প্রথম বিচারপতি – হরিলাল কেনিয়া।
৮)সুপ্রিম কোর্টের আপিল এলাকার সংখ্যা – ৪ / চারটি।
৯)হাইকোর্টের বিচারপতিকে নিয়োগ করেন – রাষ্ট্রপতি।
১০)ভারতের বিচার ব্যাবস্থার প্রকৃতি হলো – অখন্ড।
১১)বর্তমানে ভারতের হাইকোর্টে সংখ্যা – ২১ টি।
১২)ভারতের বিচার ব্যাবস্থার শীর্ষে রয়েছে – সুপ্রিম কোর্ট।
• SAQ - অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – ভারতের বিচার বিভাগ (নবম অধ্যায়) প্রশ্ন ও উত্তর | HS Political science Question and Answer :
১) সুপ্রীমকোর্টের এক্তিয়ার বা এলাকাগুলি কী কী ?
মূল এলাকা , আপিল এলাকা , পরামর্শদান এলাকা ও আদেশ , নির্দেশ ও লেখদান করার এলাকা ।
২)লোক আদালতের দু’টি উপযোগিতা উল্লেখ করো ।
Ans: লোক আদালতের দু’টি উপযোগিতা হলো– 1. লোক আদালত সমাজের দুর্বলতর শ্রেণিকে বিনামূল্যে আইনি সাহায্য দেওয়ার জন্য কাজ করে । 2. লোক আদালতগুলিতে মামলার নিষ্পত্তি দ্রুত হয়ে থাকে ।
৩)ভারতের সর্বোচ্চ ফৌজদারি / আপিল আদালতের নাম কী ?
সুপ্রিম কোর্ট।
৪)গণ আদালতের কার্যাবলি কী ?
Ans: দীর্ঘদিন ধরে কোনো মামলা চললে তার নিস্পত্তি লোক আদালত করে থাকে । যদি উভয়পক্ষই সম্মত হয় ।
৫)‘ আইন নির্দিষ্ট পদ্ধতি ‘ বলতে কী বোঝায় ?
Ans: ‘ আইন নির্দিষ্ট পদ্ধতি ‘ বলতে উপযুক্ত আইনসভা কর্তৃক বিধিসম্মতভাবে প্রণীত আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত পদ্ধতিকে বোঝানো হয় । এখানে আইন বলতে পার্লামেন্ট ও রাজ্য আইনসভা প্রণীত আইনের কথা বলা হয়েছে ।
৬)সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কার্যকাল কত দিন ?
Ans: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত স্বপদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারেন ।
৭)সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কীভাবে নিযুক্ত করা হয় ?
Ans: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন । তাঁদের নিয়োগের আগে রাষ্ট্রপতিকে অবশ্যই প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করতে হবে ।
৮)হাইকোর্টের বিচারপতির পদে নিযুক্ত হওয়ার যোগ্যতা কী ?
Ans: হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিযুক্ত হওয়ার জন্য বিচারপতিকে অবশ্যই ভারতীয় নাগরিক হতে হবে । ও ভারতের কোনো বিচারালয়ে কমপক্ষে ১০ বছর যে কোনো বিচারবিভাগীয় পদে কাজের অভিজ্ঞতা অথবা অন্তত ১০ বছর কোনো হাইকোর্টে বা দুই বা ততোধিক হাইকোর্টে একাদিক্রমে আইনজীবী হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ।
৯) হাইকোর্টের বিচারপতিদের কার্যকালের মেয়াদ কত দিন ?
Ans: হাইকোর্টের বিচারপতিরা ৬২ বছর বয়স পর্যন্ত স্বপদে অধিষ্ঠিত থাকতে পারেন। অবশ্য তার পূর্বেই তারা পদত্যাগ করতে পারেন অথবা পদচ্যুত হতে পারেন।
১০)আইনের যথাবিহিত পদ্ধতি ( Due process of Law ) বলতে কী বোঝায় ?
Ans: ‘ আইনের যথাবিহিত পদ্ধতি ‘ – র বিষয়টি ‘ বিচারবিভাগীয় সমীক্ষা ‘ – র প্রকৃতি বিশ্লেষণের একটি উল্লেখযোগ্য দিক । মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এই পদ্ধতি অনুসৃত হয় । উক্ত পদ্ধতি অনুযায়ী , সুপ্রিম কোর্ট আইনটি যথাযথ সাংবিধানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রণীত হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখে এবং তা স্বাভাবিক ন্যায়নীতি লঙ্ঘন করেছে কি না তা – ও বিচার করে । উল্লেখ্য যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের এই ক্ষমতা নেই ।
১১) মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য দু’টি লেখ – এর নাম উল্লেখ করো ।
অথবা ,
ভারতের সুপ্রিম কোর্টের দু’টি লেখ উল্লেখ করো ।
Ans: মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য দু’টি লেখ হলো অধিকার পৃচ্ছা এবং পরমাদেশ ।
১২)সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কীভাবে নিযুক্ত হন ?
Ans: সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি । নিয়োগের আগে রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনমতো সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্টের বিচারপতিদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন ।
১৩)সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের কীভাবে অপসারণ করা যায় ?
Ans: সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ করার ক্ষেত্রে "ইমপিচমেন্ট পদ্ধতির" সাহায্য নেওয়া হয় । এই পদ্ধতি অনুযায়ী , রাষ্ট্রপতি কোনো বিচারপতিকে প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের অভিযোগের ভিত্তিতে অপসারণ করতে পারেন ।
১৪)বিচারবিভাগীয় স্বাতন্ত্র্য বলতে কী বোঝো ?
Ans: বিচারপতিদের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য বিচার বিভাগের স্বাতন্ত্র্য জরুরি । বিচারবিভাগীয় স্বাতন্ত্র্য বলতে বোঝায় বিচার বিভাগকে আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা ।
১৫)রাষ্ট্রপতি কখন সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ গ্রহণ করেন ?
Ans: রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন আইন বা তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো সর্বজনীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বা উঠতে পারে , তা হলে তিনি সেই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শ চাইতে পারেন । (১৪৩ ( ১ ) নং ধারা) ।
১৬)বিচারবিভাগীয় সক্রিয়তা বলতে কী বোঝায় ?
Ans: বিচারবিভাগীয় সক্রিয়তা হলো আদালতের সেই ভূমিকা যা আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের কর্মক্ষেত্রের ওপর বিচার বিভাগের প্রাধান্য বিস্তারকে সূচিত করে ।
১৭)রাষ্ট্রপতি কী কারণে হাইকোর্টের কোনো বিচারপতিকে পদচ্যুত করতে পারেন ?
Ans: রাষ্ট্রপতি প্রমাণিত অসদাচরণ বা অক্ষমতার অভিযোগে হাইকোর্টের কোনো বিচারপতিকে পদচ্যুত করতে পারেন ।
• রচনাধর্মী বড়োপ্রশ্ন | উচ্চমাধ্যমিক রাষ্ট্রবিজ্ঞান – ভারতের বিচার বিভাগ (নবম অধ্যায়) প্রশ্ন || HS Political science Question :
১) ভারতের বিচার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করো ।
২) ভারতের লোকো আদালতের গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ করো ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন