প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় (ষষ্ঠ অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা | HS Philosophy Question and Answer
তোমরা যারা প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় (ষষ্ঠ অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা – উচ্চমাধ্যমিক দর্শন প্রশ্ন ও উত্তর | HS Philosophy Question and Answer Question and Answer খুঁজে চলেছ, তারা নিচে দেওয়া প্রশ্ন ও উত্তর গুলো ভালো করে পড়তে পারো।
প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় (ষষ্ঠ অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা – উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Philosophy Question and Answer
• সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় (ষষ্ঠ অধ্যায়) :
১)প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায়ের প্রথম নিয়মটি –M.P নামে পরিচিত ।
২)M.P এই বৈধমূর্তিটি হলো – গঠন মূলক প্রাকল্পিক ন্যায়ের।
৩)M.T- এর Full Form - Modus Tollens.
৪)M.P- এর Full Form – Modus Ponens.
৫)বৈধ প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ যুক্তিটি হলো
– D.S
৬)বৈকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায়ের নিয়মটি - D.S নামে পরিচিত।
৭)‘ M.T ‘ এই বৈধমূর্তিটি হলো - ধ্বংস মূলক প্রাকল্পিক ন্যায়।
৮)Modus Tollens হলো – প্রাকল্পিক ন্যায় এর অন্তর্গত।
৯)Modus Ponens হলো – প্রাকল্পিক ন্যায় এর অন্তর্গত।
১০) হয় p না হয় q একটি- বৈকল্পিক বচন।
১১)p অথবা q , ~ p / q’- এই যুক্তি আকারটি হলো – বৈধ DS
১২)মিশ্র প্রাকল্পিক ন্যায়ের অপ্রধান আশ্রয়বাক্যটি হলো-নিরপেক্ষ বচন।
১৩)প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ যুক্তির কোন বাক্যটি প্রাকল্পিক বচন ?
প্রধান আশ্রয় বাক্য।
১৪)প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায় যুক্তির প্রধান আশ্রয়বাক্যটির অংশ দুটি হলো - পূর্বগ ও অনুগ।
১৫)বৈকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায়ের সিদ্ধান্তটি সর্বদাই যে বচন হয় তা হলো- নিরপেক্ষ বচন।
১৬)যৌগিক যুক্তির অপর নাম হলো – মিশ্র যুক্তি।
১৭) “ নিরপেক্ষ যুক্তির সব বচনই নিরপেক্ষ । ” – বিবৃতিটি হলো – সত্য।
• অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – প্রাকল্পিক ও বৈকল্পিক ন্যায় (ষষ্ঠ অধ্যায়)
১) প্রাকল্পিক বচনের ‘ যদি – তবে ’ অংশটিকে কী বলা হয় ?
Ans: প্রাকল্পিক বচনের সংযোজক বলা হয় ।
২)প্রাকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায়ের সিদ্ধান্তটি কোন বচন হয় ?
Ans: সিদ্ধান্তটি নিরপেক্ষ বচন হয় ।
৩) প্রাকল্পিক ন্যায়ের দ্বিতীয় নিয়মটি কী ?
Ans: প্রাকল্পিক বচনের অনুগকে নিরপেক্ষ হেতুবাক্যে অস্বীকার করার পর সিদ্ধান্তে পূর্বগকে অস্বীকার করতে হয় ।
৪) বৈকল্পিক বচনের দ্বিতীয় অংশকে কী বলা হয় ?
Ans: প্রথম অংশকে দ্বিতীয় বিকল্প বলা হয় ।
৫) বৈকল্পিক বচনের প্রথম অংশকে কী বলা হয় ?
Ans: প্রথম অংশকে প্রথম বিকল্প বলা হয় ।
৬) বৈকল্পিক বচন কাকে বলে ?
Ans: যে সাপেক্ষ ন্যায়ের একটি আশ্রয়বাক্য বৈকল্পিক বচন , অপর আশ্রয়বাক্য ও সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষ বচন তাকে বৈকল্পিক বচন বলে ।
৭) ধ্বংসমূলক প্রাকল্পিক ন্যায়ে কী দোষ ঘটে ?
Ans: পূর্বগ অস্বীকারজনিত দোষ ।
৮) প্রাকল্পিক বচনের দ্বিতীয় অংশকে কী বলা হয় ?
Ans: দ্বিতীয় অংশকে অনুগ বলা হয় ।
৯) পূর্বকল্প কাকে বলে ?
( প্রাকল্পিক বচনে ‘ যদি ’ ( IF ) -এর পরবর্তী অংশকে বলা হয় পূবর্গ বা পূর্বকল্প ।
১০) প্রাকল্পিক বচনের প্রথম অংশকে কী বলা হয় ?
Ans: প্রথম অংশকে পূর্বগ বলা হয় ।
১১)অনুগ স্বীকারজনিত দোষের একটি উদাহরণ দাও ।
Ans: যদি মেঘ করে তবে বৃষ্টি হবে বৃষ্টি হচ্ছে … মেঘ করেছে ।
১২) বিসংবাদী বৈকল্পিক বচনের একটি দৃষ্টান্ত দাও ।
Ans:
• মানুষটি জীবিত অথবা মৃত মানুষটি জীবিত।
: . মানুষটি মৃত নয় ।
১৩)বৈকল্পিক নিরপেক্ষ ন্যায়ের বৈধতার নিয়ম উল্লেখ করো ।
Ans: অবিসংবাদী অর্থে – যেকোনো একটি বিকল্পকে অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে অস্বীকার করে অন্য বিকল্পটিকে সিদ্ধান্তে স্বীকার করা না হলে বৈধ হয় । — বিসংবাদী অর্থে – যেকোনো একটি বিকল্পকে অপ্রধান আশ্রয়বাক্যে স্বীকার করে অন্য বিকল্পটিকে সিদ্ধান্তে অস্বীকার করলে বৈধ হয় ।
১৪) প্রাকল্পিক বচনের কয়টি অংশ ও কী কী ?
Ans: দু’টি অংশ – পূর্বগ ও অনুগ ৷
১৫)অনুকল্প কাকে বলে ?
Ans: প্রাকল্পিক বচনে ‘ তবে ’ বা ‘ তা হলে ’ -এর পরবর্তী অংশকে বলা হয় অনুগ বা অনুকল্প ৷
১৬)প্রাকল্পিক ন্যায়ের প্রথম নিয়মটি কী ?
Ans: ভিতর প্রাকল্পিক বচনের পূর্বগকে নিরপেক্ষ হেতুবাক্যে স্বীকার করার পর সিদ্ধান্তে অনুগকে স্বীকার করতে হয় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন