Click Below

Breaking

Know more

Search

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২২

2023 Madhyamik History (SAQ) Suggestion - Upgrade Yourself

 Madhyamik History (SAQ) Suggestion 2023 || মাধ্যমিক ইতিহাস (SAQ) প্রশ্ন ও উত্তর ||গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন ও উত্তর ||






• দুই বা তিনটি বাক্যে উত্তর দাও। (যে কোনো ১১টি):-

১) letters from a father to his daughter - থেকে কি জানা যায়? 

উঃ - CLICK HERE


২) স্থানীয় ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ কেন?

উঃ - স্থানীয় ইতিহাস চর্চার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জায়গার লোকপরম্পরা, শিল্প -স্থাপত্যের বিকাশ, আর্থসামাজিক বিবর্তন সম্পর্কে জানা যায়। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ইতিহাস জানার ক্ষেত্রে স্থানীয় ইতিহাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।


৩) এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে খ্রিস্টান মিশনারিদের উদ্দেশ্য কি ছিল?

উঃ - ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষা প্রবর্তনে কোম্পানির আসল উদ্দেশ্য ছিল - ভারতের জনগণকে খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষিত করা ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা করা ।

(i) খ্রিস্টান মিশনারিরা ধর্মান্তরিত করার বিশিষ্ট মাধ্যম হিসেবে এদেশে বিদ্যালয় স্থাপন করেন এবং ধর্মান্তরিতদের শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে তাঁরা ছাপাখানা স্থাপন করেন।

(ii) আরবি বা ফারসি ভাষায় শিক্ষিত ভারতীয়দের দ্বারা কোম্পানির সরকারি দপ্তর পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছিল না।সাধারণ কেরানিদেরও ইংল্যান্ড থেকে আনতে হচ্ছিল। তাই কোম্পানির কর্তৃপক্ষ অনুভব করে এদেশে ইংরেজি শিক্ষিত কিছু কেরানি তৈরি করলে তাদের পক্ষে সুবিধাই হবে।


৪) নববিধান কি?

সমস্ত ধর্মীয় বিবাদ ও দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয়ে কেশবচন্দ্র সেন ব্রাহ্মসমাজে কিছু নতুন বিধান বা নীতি প্রবর্তন করেন। এই নতুন বিধান বা নীতিগুলি নববিধান নামে পরিচিত।


৫) সমাজ সংস্কারে নব্য বঙ্গের ভূমিকা কি ছিল?

উঃ - CLICK HERE


৬) দুদুমিঞা স্মরণীয় কেন? 

উঃ - 1837 খ্রিস্টাব্দে ফরাজি আন্দোলনের প্রবর্তক হাজি শরিয়তউল্লাহ-এর মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য পুত্র মহম্মাদ মহসিন বা দুদুমিঞা আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহন করেন । তিনি ছিলেন দক্ষ সংগঠক ও রাজনৈতিক চেতনা সম্পন্ন ব্যাক্তিত্ব ও এই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ।


তিনি জমিদারদের পূজা-পার্বণ ইত্যাদিতে কর না দেওয়ার পরামর্শ দেন। তার সুযোগ্য নেতৃত্বে ফরাজি আন্দোলন ধার্মীয়-সামাজিক আন্দোলন থেকে অর্থনোইতিক-রাজনোইতিক আন্দোলনে পরিনত হয়। এই জন্য দুদুমিঞা স্বরণীয়।


৭) উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধকে - ' সভা সমিতির যুগ ' কেন বলা হয়?

উঃ - উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধ থেকে ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসার, জাতীয়তাবাদের উন্মেষ প্রভৃতির ফলে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক সংগঠন গরে ওঠে। এই জন্য এই সময় কালকে অর্থাৎ উনবিংশ শতককে ডক্টর অনিল শীল সভা সমিতির যুগ বলেছেন।


৮) আনন্দমঠ উপন্যাস কিভাবে জাতীয়তাবাদী ভাবধারাকে উদ্দিপ্ত করেছিল? 

(i) বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠ প্রগাঢ় প্রভাব ফেলেছিল জাতীয়তাবাদীদের ওপর। আনন্দমঠের সন্তানদের উচ্চারিত বন্দেমাতরাম মন্ত্র দেশবাসীকে মুক্তি আন্দোলনে আন্দোলিত করে।


(ii) এই গ্রন্থে দেশমাতৃকার অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যত মূর্তিগুলি তুলে ধরেন বঙ্কিমচন্দ্র। "মা যাহা হইয়াছেন"- দশ জননীর এই মূর্তি হৃতসর্বস্ব নগ্নিকা দেশের মূর্তি। এই মূর্তির মাধ্যমে শোষণ মুক্তা, কল্যাণী, জগদ্ধাত্রী দেশমাতৃকার মূর্তিকে তুলে ধরে বঙ্কিমচন্দ্র স্বৈরাচারী ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে দেশবাসীকে বিদ্রোহের আহ্বান জানান।


(iii) আনন্দমঠের সন্তানদের আদর্শ ভারতের শিক্ষিত যুব সমাজকে বিশেষ করে কংগ্রেসী নেতৃবৃন্দের একাংশকে অনুপ্রাণিত করে। সন্তানদের উদ্দেশ্যে সত্যানন্দের আহবাণের মধ্যে তিনি আসুরিক ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের ধর্মান্ধতা জাগানোর ডাক শুনেছেন।


(iv) এই গ্রন্থে তিনি একদল দেশপ্রেমিকের আত্ম উৎসর্গের কথা তুলে ধরেছেন। স্বাদেশিকতা প্রসারে বন্দেমাতরম সংগীতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সংগীতের দ্বারা বঙ্কিমচন্দ্র ভারত জননীর বাস্তব রূপ অংকন করেন এবং পরবর্তীকালে এই সংগীত ভারতীয় মুক্তি সংগ্রামের উপর রূপ ধ্বনিতে পরিণত হয়। প্রত্যেকটি স্বদেশ প্রেমিকের মুখে মুখে উচ্চারিত হয় এই বন্দেমাতরম ধ্বনি। 


আনন্দমঠ উপন্যাসটি সংগ্রামী জাতীয়তাবাদী চিন্তাধারার প্রচারে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল। এই কারণে অধ্যাপক হিরেন্দ্রনাথ দত্ত বঙ্কিমচন্দ্রকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রকৃত জনক বলে অভিহিত করেছেন।


৯) বাঙালির ছাপাখানার বিকাশে পঞ্চানন কর্মকারের ভূমিকা কি ছিল?

বাংলা হরফে ও বাংলা ভাষায় মুদ্রণের ক্ষেত্রে বাঙালির ছাপাখানার বিকাশে পঞ্চানন কর্মকারের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে।


বাংলা হরফ তৈরি : ত্রিবেণীর পঞ্চানন কর্মকার ধাতুর উপর নকশা খোদাই-এর পুরুষানুক্রমিক জীবিকার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ছেনি দিয়ে কাটা বাংলা হরফ তৈরি করেন। এই কাজের তত্ত্বাবধান করেন চার্লস উইলকিনস। এই হরফেই হ্যালহেডের বাংলা ব্যাকরণ মুদ্রিত হয়। এরপর তিনি শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানায় যোগ দেন। এইভাবে পঞ্চানন কর্মকার পেশাগত কাজের সূত্রে বাংলা মুদ্রণ জগৎ-এ এক বিপ্লবের সূত্রপাত করেছিলেন।


১০) কৃষক আন্দোলনে বাবা রামচন্দ্রের অবদান লেখ? **


১১) নমঃশূদ্র নামে কারা পরিচিত?

উঃ - পূর্ব বাংলার খুলনা, যশোহর, ফরিদপুর ও বরিশালের প্রান্তিক কৃষিজীবী সম্প্রদায় নমঃশূদ্র’ নামে পরিচিত। সামাজিক দিক থেকে এঁরা ছিল হিন্দুসমাজে অস্পৃশ্য ও অন্ত্যজ। এরূপ সামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্তি পেতে তারা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা নমঃশূদ্র আন্দোলন নামে পরিচিত।


১২) দলিত কাদের বলা হয়?

উঃ - মারাঠি সাহিত্য থেকে দলিত' শব্দটি গৃহীত হয়েছে। ব্যুৎপত্তিগতভাবে দলন’ থেকেই ‘দলিত’ কথাটি এসেছে। এর অর্থ হল দমন করা বা বলপূর্বক দমিয়ে রাখা। ভারতীয় হিন্দু সমাজব্যবস্থায় এক অধিকারহীন পিছিয়েপড়া, অনুন্নত সম্প্রদায়ই দলিত’ নামে পরিচিত। উচ্চবর্ণের মানুষের দ্বারা এরা ছিল অবহেলিত, পদদলিত। অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ইত্যাদি অধিকার থেকে এরা ছিল বঞ্চিত । মন্দিরে প্রবেশ, দীঘি বা পুকুর বা ইঁদারার জল ব্যবহার, স্কুলে গিয়ে পড়াশোনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এরা ছিল অবাঞ্ছিত।।


গান্ধিজি এদের হরিজন’ আখ্যা দেন। ড. বি. আর আম্বেদকর ছিলেন এঁদের নেতা। কেরলে এরা ‘এজহারা’, তামিলনাড়ুতে ‘নাদার’, মহারাষ্ট্রে ‘মাহার, দিল্লিতে বাল্মিকী’, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ ও ছত্তিশগড়ে ‘চামার’, বাংলায় নমঃশূদ্র ও সরকারি পরিভাষায় তফশিলিভুক্ত জাতি’ নামে পরিচিত।


১৩) মাতঙ্গিনী হাজরা স্মরণীয় কেন?**


১৪) দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তির দলিল বলতে কি বোঝো? 

উঃ - 1947 খ্রিস্টাব্দে 15 ই আগস্ট ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে। স্বাধীনতা লাভের পর ভারত যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম প্রধান সমস্যা ছিল দেশীয় রাজ্যগুলির ভারতভুক্তি সংক্রান্ত সমস্যা।


ভারতে ব্রিটিশ আশ্রিত ও স্বাধীন দেশীয় রাজ্যগুলির সংখ্যা ছিল 562 টি। এই রাজ্যগুলিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য ভারতভুক্তি দলিল নামে শর্তযুক্ত একটি চুক্তিপত্র তৈরি করেন সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল। দেশীয় রাজ্যগুলির ভ্রাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লভের বিনিময়ে ভারতভুক্তি দলিলে স্বাক্ষর করেন তিনি।


দেশীয় রাজ্যগুলি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর ভারত একটি বিশাল শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ভারতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো সুদৃঢ় হয়।


১৫) ভারতের লৌহমানব - কাকে, কেন বলা হয়?

উঃ - স্বাধীন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভ ভাই প্যাটেল কে 'লৌহ মানব ' বা 'ভারতের বিসমার্ক' বলা হয় ।

কারণ:- 

ক) তিনি স্বরাষ্ট্র দপ্তরের সচিব ভি.পি. মেনন ও বড়লাট লর্ড মাউন্টব্যাটেন এর সহযোগিতায় কূটনীতি ও যুদ্ধনীতির মাধ্যমে ভারতের দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতভুক্ত করে ভারতকে রাজনৈতিক সংকটের হাত থেকে মুক্ত।


আরো পড়ুন:-মাধ্যমিক ইতিহাস সত্য মিথ্যা নির্ণয়, ম্যাপ পয়েন্টিং সাজেশন 2023- CLICK HERE



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here