Click Below

Breaking

Know more

Search

মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

শ্রীরামপুরের মিশনারিদের ছাপাখানা সম্পর্কে কি জান? || বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা



 মাধ্যমিক ইতিহাস 


বিকল্প চিন্তা ও উদ্যোগ : বৈশিষ্ট্য ও পর্যালোচনা 



প্রশ্ন, শ্রীরামপুরের মিশনারিদের ছাপাখানা সম্পর্কে কি জান?

ডেনমার্ক থেকে আগত শ্রীরামপুরের খ্রিস্টান মিশনারীরা নিজেদের ধর্মীয় প্রচার সহ বেশ কিছু উদ্দেশ্যে সেখানে ছাপাখানা প্রতিষ্ঠা করেন। এই ছাপাখানা প্রাচ্যের মুদ্রণ শিল্পে গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা করে।


১) ছাপাখানা স্থাপন : শ্রীরামপুর মিশনের খ্রিষ্টান মিশনারি উইলিয়াম কেরি ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে শ্রীরামপুরের একটি ছাপাখানা স্থাপন করেন। যা এশিয়া সর্ববৃহৎ এবং বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছাপাখানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।


২) অনুবাদ প্রকাশ: শ্রীরামপুরের ছাপাখানা থেকে বাংলা, হিন্দি, উড়িয়া, মারাঠি, সংস্কৃত প্রভৃতি ভারতীয় ভাষায় বাইবেল, রামায়ণ, মহাভারত-এর মত বিভিন্ন প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য প্রভৃতির অনুবাদ ছাপা হয়।


৩) অন্যান্য ছাপার কাজ: অনুবাদ ছাড়াও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ছাত্রদের জন্য পাঠ্যপুস্তক, রামরাম বসুর 'প্রতাপাদিত্য চরিত্র' , বিভিন্ন সংবাদপত্র প্রভৃতিও শ্রীরামপুরের ছাপাখানা থেকে ছাপা হয়।


৪) শিক্ষার প্রসার: শ্রীরামপুর মিশনের উইলিয়াম কেরি, জোশুয়া মার্শম্যান এবং উইলিয়াম ওয়ার্ড-এর উদ্যোগে বাংলায় গণশিক্ষা প্রসারের ব্যাপক উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৮০১ থেকে ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে শিরামপুরে ছাপাখানা থেকে চল্লিশটি ভাষায় দু লক্ষের বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। এই বিপুলসংখ্যক বইপত্র শিক্ষা সংস্কৃতি ও জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রসারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


৫) দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সুবিধা:- শ্রীরামপুর মিশনে ছাপাখানা থেকে প্রচুর বাংলা পাঠ্য পুস্তক প্রকাশের ফলে সাধারণ মানুষের হাতে খুব কম দামে বা বিনামূল্যে এই বই পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়। ফলে গ্রামবাংলা দরিদ্র শিক্ষার্থীরা শিক্ষালাভের সুযোগ পায়।


আরো পড়ুন:- 2023 মাধ্যমিক ইতিহাস বড় প্রশ্ন সাজেশন - CLICK HERE

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here