প্রশ্ন:- ঠান্ডা লড়াই কী এর প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি আলোচনা করো এবং এর তাত্ত্বিক ভিত্তি বা উদ্ভবের কারণ আলোচনা কর।
উত্তর:-
ঠান্ডা লড়াই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার নেতৃত্বে ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জোট ও সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র জোটে গোটা বিশ্ব বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই দ্বিমেরুকরণ রাজনীতি ঠান্ডা লড়াই নামে পরিচিত। এই লড়াইয়ের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা থাকলেও বল প্রয়োগের বা প্রত্যক্ষ যুদ্ধের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বল প্রয়োগ ছাড়াও যে যুদ্ধের উত্তেজনা সৃষ্টি করা যায় তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ হলো পাঁচ দশক(1945-1991) ধরে চলা এই ঠান্ডা যুদ্ধ যাকে স্নায়ুযুদ্ধ বলা হয়।
বৈশিষ্ট্য:-
1947 খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক ওয়াল্টার লিপম্যান সর্বপ্রথম এই ঠান্ডা লড়াই শব্দটি জনপ্রিয় করে তোলেন। তবে এই ঠান্ডা লড়াই শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করেছিলেন বার্নাড বারুচ। এই ঠান্ডা লড়াই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি হল:-
1. ঠান্ডা লড়াই কোনো প্রত্যক্ষ লড়াই বা সংঘর্ষ ছিল না এতে ঝরেনি কোন রক্ত।
2. ঠান্ডা লড়াই ছিল গণতান্ত্রিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে আদর্শগত সংখাত।
3.ঠান্ডা লড়াই কে কেন্দ্র করে দুই শক্তি একে অপরের বিরুদ্ধে জোর গঠন করতে থাকে যেমন:-NATO, CENTO, COMECON ইত্যাদি।
4. পরস্পর বিরোধী এই দুই শক্তি জোট নিজেদের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির ওপর তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সচেষ্ট হয়।
5. বিশ্বের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করতে এই দুই শক্তি জোট তাদের সামরিক শক্তির উন্নতি ও বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্ব দেয়। ফলে একটি আতংক ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়।
6. ঠান্ডা লড়াই ছিল মূলত ইউরোপ কেন্দ্রিক। তবে 1950 খ্রিস্টাব্দের পর থেকে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
7. প্রকৃতপক্ষে ঠান্ডা লড়াই ছিল একটি যুদ্ধ বিহীন ঘটনা।
8. যুদ্ধ ও শান্তির মাঝে এক অস্বস্তিকর ও উত্তেজনাকর অবস্থা হলো ঠান্ডা লড়াই। এই উত্তেজনার কারণে ঐতিহাসিক বার্নেট ঠান্ডা লড়াইকে "গরম শান্তি" বলে অভিহিত করেছেন।
ঠান্ডা লড়াই:- এর তাত্ত্বিক ভিত্তি বা উদ্ভবের কারণ:-
এখন প্রশ্ন যে এই ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভব কেন হয়? এ বিষয়ে ঐতিহাসিকরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন যা তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা নামে পরিচিত। আর সেগুলো নিয়েই আলোচনা করা হল:-
1. ঐতিহ্যবাহী বা রক্ষনশীল ব্যাখ্যা:-
এই মতবাদে বিশ্বাসী দের মতে ঠান্ডা যুদ্ধ ছিল আদর্শগত বিরোধ এবং এর জন্য দায়ী ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সাম্যবাদী আদর্শ ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তাদের মূল বক্তব্য হলো সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন ও সম্প্রসারণ নীতি জন্য এই পৃথিবীতে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন মিত্রশক্তির মতামত উপেক্ষা করে শক্তি প্রয়োগ করে পূর্ব ইউরোপের প্রায় সমস্ত কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এভাবেই রাশিয়ার ঠান্ডা লড়াই এর প্রেক্ষাপট রচনা করেন। সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পশ্চিমী রাষ্ট্রগুলি একত্রিত হয়ে যে জোট তৈরি করে এবং ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভব হয়। ইমো তেরে সমর্থকরা ছিলেন উইনস্টন চার্চিল জর্জ কেন্নান প্রমূখ।
2. সংশোধনবাদী ব্যাখ্যা:- এই মতের সমর্থকগণ এর মতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণশীল নীতি নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতিই ঠান্ডা যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করতে না পেরে নিজস্ব প্রভাবাধীন অঞ্চলের সম্প্রসারণ ঘটাতে শুরু করে ও ঠান্ডা যুদ্ধের সূচনাকে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এই মতের সমর্থকরা ছিলেন ওয়াল্টার লিপম্যান, ডি.এফ. ফ্লেমিং প্রমুখরা।
3. বাস্তববাদী ব্যাখ্যা:-
একদল ঐতিহাসিক আদর্শগত এবং সংশোধনবাদী তত্ত্বের মধ্যবর্তী অবস্থান গ্রহণ করে ঠান্ডা লড়াই এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা মনে করেন যে ঠান্ডা লড়াই জন্য দুই পক্ষই দায়ী ছিল অথবা কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। তাদের এই ব্যাখ্যা বাস্তববাদী ব্যাখ্যা নামে পরিচিত। এই সমর্থকরা হলেন মর্গ্যানথ, রিচার্ড ক্রকেট প্রমুখ। তাদের মতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছিল তা দুই শক্তিধর দেশকে ঠান্ডা যুদ্ধের আঙিনায় আসার বাস্তব পটভূমি রচনা করেছিল।
4. অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যাখ্যা:- এই মতবাদের ব্যাখ্যাকরা মনে করেন যে ঠান্ডা লড়াই ছিল প্রকৃতপক্ষে আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ এর অন্যতম দিক। গ্যাব্রিয়েল কলকো দেখিয়েছেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান চালকের আসন লাভের চেষ্টা করে। এই লক্ষ্যে আমেরিকার বিদেশ নীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে মার্শাল পরিকল্পনা ও ট্রুম্যান নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য দিয়ে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউরোপে নিজেকে পরিত্রাতা হিসেবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রধান বাধা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এজন্য ইউনিয়ন ও তার অনুগত রাষ্ট্রগুলির বিরুদ্ধে আমেরিকা একপ্রকার ক্রুশেড বা যুদ্ধ ঘোষণা করে। এর ফলে ঠান্ডা লড়াই এর সূত্রপাত ঘটে।
মূল্যায়ন:-
পরিশেষে বলা যায় যে ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভবের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন কেউ এককভাবে দায়ী ছিল না। বাস্তব হল এই যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যে ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভবে অনুঘটকের কাজ করেছিল- তা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে।
![]() |
| H.S History suggestion |
ঠান্ডা লড়াই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আমেরিকার নেতৃত্বে ধনতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জোট ও সোভিয়েত রাশিয়ার নেতৃত্বে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র জোটে গোটা বিশ্ব বিভক্ত হয়ে পড়ে। এই দ্বিমেরুকরণ রাজনীতি ঠান্ডা লড়াই নামে পরিচিত। এই লড়াইয়ের মধ্যে প্রবল উত্তেজনা থাকলেও বল প্রয়োগের বা প্রত্যক্ষ যুদ্ধের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বল প্রয়োগ ছাড়াও যে যুদ্ধের উত্তেজনা সৃষ্টি করা যায় তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ হলো পাঁচ দশক(1945-1991) ধরে চলা এই ঠান্ডা যুদ্ধ যাকে স্নায়ুযুদ্ধ বলা হয়।
বৈশিষ্ট্য:-
1947 খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত মার্কিন সাংবাদিক ওয়াল্টার লিপম্যান সর্বপ্রথম এই ঠান্ডা লড়াই শব্দটি জনপ্রিয় করে তোলেন। তবে এই ঠান্ডা লড়াই শব্দটি প্রথম প্রয়োগ করেছিলেন বার্নাড বারুচ। এই ঠান্ডা লড়াই এর প্রধান বৈশিষ্ট্য গুলি হল:-
1. ঠান্ডা লড়াই কোনো প্রত্যক্ষ লড়াই বা সংঘর্ষ ছিল না এতে ঝরেনি কোন রক্ত।
2. ঠান্ডা লড়াই ছিল গণতান্ত্রিক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়ার মধ্যে আদর্শগত সংখাত।
3.ঠান্ডা লড়াই কে কেন্দ্র করে দুই শক্তি একে অপরের বিরুদ্ধে জোর গঠন করতে থাকে যেমন:-NATO, CENTO, COMECON ইত্যাদি।
4. পরস্পর বিরোধী এই দুই শক্তি জোট নিজেদের শক্তি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে অন্যান্য রাষ্ট্রগুলির ওপর তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সচেষ্ট হয়।
5. বিশ্বের ওপর নিজেদের কর্তৃত্ব স্থাপন করতে এই দুই শক্তি জোট তাদের সামরিক শক্তির উন্নতি ও বৃদ্ধি করার ওপর গুরুত্ব দেয়। ফলে একটি আতংক ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়।
6. ঠান্ডা লড়াই ছিল মূলত ইউরোপ কেন্দ্রিক। তবে 1950 খ্রিস্টাব্দের পর থেকে তা সমগ্র বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
7. প্রকৃতপক্ষে ঠান্ডা লড়াই ছিল একটি যুদ্ধ বিহীন ঘটনা।
8. যুদ্ধ ও শান্তির মাঝে এক অস্বস্তিকর ও উত্তেজনাকর অবস্থা হলো ঠান্ডা লড়াই। এই উত্তেজনার কারণে ঐতিহাসিক বার্নেট ঠান্ডা লড়াইকে "গরম শান্তি" বলে অভিহিত করেছেন।
ঠান্ডা লড়াই:- এর তাত্ত্বিক ভিত্তি বা উদ্ভবের কারণ:-
এখন প্রশ্ন যে এই ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভব কেন হয়? এ বিষয়ে ঐতিহাসিকরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন যা তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা নামে পরিচিত। আর সেগুলো নিয়েই আলোচনা করা হল:-
1. ঐতিহ্যবাহী বা রক্ষনশীল ব্যাখ্যা:-
এই মতবাদে বিশ্বাসী দের মতে ঠান্ডা যুদ্ধ ছিল আদর্শগত বিরোধ এবং এর জন্য দায়ী ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের সাম্যবাদী আদর্শ ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা। তাদের মূল বক্তব্য হলো সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসন ও সম্প্রসারণ নীতি জন্য এই পৃথিবীতে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার সৃষ্টি হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়ন মিত্রশক্তির মতামত উপেক্ষা করে শক্তি প্রয়োগ করে পূর্ব ইউরোপের প্রায় সমস্ত কমিউনিস্ট সরকার প্রতিষ্ঠা করে। এভাবেই রাশিয়ার ঠান্ডা লড়াই এর প্রেক্ষাপট রচনা করেন। সোভিয়েত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পশ্চিমী রাষ্ট্রগুলি একত্রিত হয়ে যে জোট তৈরি করে এবং ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভব হয়। ইমো তেরে সমর্থকরা ছিলেন উইনস্টন চার্চিল জর্জ কেন্নান প্রমূখ।
2. সংশোধনবাদী ব্যাখ্যা:- এই মতের সমর্থকগণ এর মতে সোভিয়েত ইউনিয়নের সম্প্রসারণশীল নীতি নয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতিই ঠান্ডা যুদ্ধের সূচনা ঘটিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করতে না পেরে নিজস্ব প্রভাবাধীন অঞ্চলের সম্প্রসারণ ঘটাতে শুরু করে ও ঠান্ডা যুদ্ধের সূচনাকে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এই মতের সমর্থকরা ছিলেন ওয়াল্টার লিপম্যান, ডি.এফ. ফ্লেমিং প্রমুখরা।
3. বাস্তববাদী ব্যাখ্যা:-
একদল ঐতিহাসিক আদর্শগত এবং সংশোধনবাদী তত্ত্বের মধ্যবর্তী অবস্থান গ্রহণ করে ঠান্ডা লড়াই এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তারা মনে করেন যে ঠান্ডা লড়াই জন্য দুই পক্ষই দায়ী ছিল অথবা কোন পক্ষই দায়ী ছিল না। তাদের এই ব্যাখ্যা বাস্তববাদী ব্যাখ্যা নামে পরিচিত। এই সমর্থকরা হলেন মর্গ্যানথ, রিচার্ড ক্রকেট প্রমুখ। তাদের মতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইউরোপে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছিল তা দুই শক্তিধর দেশকে ঠান্ডা যুদ্ধের আঙিনায় আসার বাস্তব পটভূমি রচনা করেছিল।
4. অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ব্যাখ্যা:- এই মতবাদের ব্যাখ্যাকরা মনে করেন যে ঠান্ডা লড়াই ছিল প্রকৃতপক্ষে আমেরিকার অর্থনৈতিক সম্প্রসারণ এর অন্যতম দিক। গ্যাব্রিয়েল কলকো দেখিয়েছেন যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে আমেরিকা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ অর্থনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয় এবং বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান চালকের আসন লাভের চেষ্টা করে। এই লক্ষ্যে আমেরিকার বিদেশ নীতির পরিবর্তন ঘটিয়ে মার্শাল পরিকল্পনা ও ট্রুম্যান নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন দেশকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাহায্য দিয়ে যুদ্ধ বিদ্ধস্ত ইউরোপে নিজেকে পরিত্রাতা হিসেবে তুলে ধরার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রধান বাধা ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন। এজন্য ইউনিয়ন ও তার অনুগত রাষ্ট্রগুলির বিরুদ্ধে আমেরিকা একপ্রকার ক্রুশেড বা যুদ্ধ ঘোষণা করে। এর ফলে ঠান্ডা লড়াই এর সূত্রপাত ঘটে।
মূল্যায়ন:-
পরিশেষে বলা যায় যে ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভবের ক্ষেত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন কেউ এককভাবে দায়ী ছিল না। বাস্তব হল এই যে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যে ঠান্ডা লড়াই এর উদ্ভবে অনুঘটকের কাজ করেছিল- তা নিঃসন্দেহে বলা যেতে পারে।

সব ইতিহাসই সমকালীন ইতিহাস এটি কার উক্তি ?
উত্তরমুছুন