Click Below

Breaking

Know more

Search

মঙ্গলবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

দেশের খবর এবার উচ্চমাধ্যমিক এর পরই ডি.এল.এড ও বি.এড দুই করতে পারবে।


Integrated b.ed
Integrated b.ed

নমস্কার বন্ধুরা এই ব্লগের মাধ্যমে আপনাদের সামনে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। যারা ভবিষ্যতে শিক্ষক হতে চাইছো তাদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খবর।
তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে শিক্ষক হতে গেলে তোমাদের যে ডিগ্রীটি অতি অবশ্যই প্রয়োজন সেটি হলো b.ed বা d.el.ed থাকা। এ প্রসঙ্গে মনে করিয়ে দিয়ে যারা d.el.ed করবে তারা প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতা চাকরির পরীক্ষা দিতে পারবেন। এবং যারা বিএড প্রশিক্ষণ নেবে তারা ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকতা পরীক্ষায় বসতে পারবেন।
এতদিন পর্যন্ত নিয়ম ছিল যে d.el.ed বা b.ed এই দুটি ডিগ্রী দুবছরের জন্য ছিল। তবে বর্তমানে এই নিয়মের এবার থেকে পরিবর্তন আসছে। আর কি সেই পরিবর্তন চলো বিস্তারিত ভাবে জেনে নিই।

এবার আসতে চলেছে ইন্ট্রিগেটেড টিচার এডুকেশন প্রোগ্রাম অর্থাৎ ITEP.  এর অর্থ হল যারা ভবিষ্যতে শিক্ষকতা পেশায় আসতে চাইছে তাদের ক্ষেত্রে চালু হবে চার বছরের বিএ/বিএসসি/ বিকম সহ অখন্ড কোর্স।  যারা বর্তমানে ক্লাস টুয়েলভে পড়ছে তাদের থেকেই এই পদ্ধতি আগামী বছর থেকে শুরু করা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির দ্বারা একইসঙ্গে পরীক্ষার্থী গ্রাজুয়েশনের পাশাপাশি তার বিএড ডিগ্রি সম্পন্ন হবে। তবে এই কোর্সে ভর্তি হতে গেলে শিক্ষার্থীকে পেতে হবে উচ্চ মাধ্যমিকে 50 শতাংশ নম্বর। এই কোর্সটি হবে 4 বছরের। কোর্স শেষে শিক্ষার্থীকে দুটি সার্টিফিকেট দেওয়া হবে একটি হলো তার গ্রাজুয়েশন সার্টিফিকেট এবং অপরটি হলো বি.এড সার্টিফিকেট। উক্ত দুই সার্টিফিকেট দিয়ে একদিকে যেমন শিক্ষার্থী যে কোন গ্রাজুয়েশন লেভেলের চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারবে ল,তার পাশাপাশি শিক্ষকতা চাকরির যেকোনো পরীক্ষায় সে বসতে পারবে। তবে এখনো ইতিমধ্যে যারা বিএড করেননি, তাদের ক্ষেত্রেও কিন্তু সুযোগ রয়েছে বিএড করার। যারা বর্তমানে কলেজে বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছেন তাদের ক্ষেত্রে পূর্বের নিয়ম পাঁচ বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে। তবে এই যে নতুন বিএড পদ্ধতি তা 2014 সালেই অনুমতি দিয়েছিল এনসিটিই। কিন্তু পাঠক্রম তৈরি এবং পরবর্তী উচ্চ শিক্ষার যে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রভৃতি বিভিন্ন দিক বিবেচনা করতে গিয়ে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এই কোর্সে শিক্ষার্থীকে ভর্তি হতে গেলে শোনা যাচ্ছে তাদের প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনোই এন সি টি ই সরাসরি কিছু জানায়নি। এই কোর্স করতে কত খরচ হবে ; সে বিষয়েও এন সি টি ই কিছু জানায়নি, তবে তারা এটুকু জানিয়েছে যে এই কোর্সের খরচা আগের তুলনায় অনেকটাই কম হবে।  এতদিন যাবত কোন একজন শিক্ষার্থীকে গ্রাজুয়েশন করার পরই বিএড করতে হতো কিন্তু এবার থেকে সেটা আর হচ্ছে না, তারা গ্র্যাজুয়েশনের সঙ্গেই বিএড করবে। আর সবথেকে বড় বিষয় এর আগে বিএড করতে শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণরূপে সময় লাগতো গ্র্যাজুয়েশনের জন্য তিন বছর এবং বিএড এর জন্য দু বছর অর্থাৎ মোট পাঁচ বছর কিন্তু এবার থেকে মাত্র চার বছরের মধ্যেই গ্রেজুয়েশন এবং বিএড কমপ্লিট হবে।

এ প্রসঙ্গে একটি বিষয় জানিয়ে রাখি যে এই কোর্সটি পড়ানো হবে কেবলমাত্র কম্পোজিট ইনস্টিটিউশনের জন্য চিহ্নিত প্রতিষ্ঠানে অর্থাৎ যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ কলেজ হতে পারে অথবা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পারে, যাদের ক্ষমতা রয়েছে একইসঙ্গে গ্রাজুয়েশন করার এবং তার সঙ্গে বিএড  ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে কেবলমাত্র সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠান এই কোর্সটি করানো হবে।
বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে হবে www.ncte-india.org

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here