টীকা :- ভারত সভা
সূচনা:- 1876 খ্রিস্টাব্দে 26 শে জুলাই কলকাতার অনুষ্ঠিত এক সভা থেকে রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, আনন্দমোহন বসু, শিবনাথ শাস্ত্রী প্রমুখের সহায়তায় ভারত সভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
উদ্দেশ্য:- এই ভারত সভার প্রতিষ্ঠার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল চারটি। এই উদ্দেশ্যকে ভারত সভার লক্ষ্যও বলা যেতে পারে। এগুলি হল:-
1. ভারতে একটি শক্তিশালী জনমত গঠন করা।
2. ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থে জাতি, ধর্ম ও গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার।
3.হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করে তোলা।
4. ভারতবর্ষে সাধারণমানুষ কে গণ আন্দোলনে শামিল করা।
কার্যাবলী
ভারত সভার কার্যাবলী মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:-
1. কৃষকদের জন্য ভারত সভা জমিদারি অত্যাচার এবং 1859 খ্রিস্টাব্দের Rent Act এর বিরোধিতা করে।
2. ব্রিটিশ সরকার সিভিল সার্ভিসের বয়স 21 থেকে কমিয়ে 19 বছর করলে ভারত সভা প্রতিবাদ জানায়।
3. দেশীয় ভাষায় সংবাদপত্র আইন ও অস্ত্র আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত সভা জনমত গড়ে তোলে।
4. ইলবার্ট বিলের বিরুদ্ধে ভারত সভার আন্দোলন ছিল প্রশংসার যোগ্য।
5. ভারত সভা প্রতিনিধি মুলক শাসন পরিষদ গঠন, স্বায়ত্ব শাসন প্রবর্তন, প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন, মদ্যপান বন্ধ করা প্রভৃতির দাবিতে আন্দোলন চালায়।
6. 1905 খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে ভারত সভা স্বদেশী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শাখাসমূহ:-
ভারত সভা কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হলেও এর শাখা মূলত সুরেন্দ্রনাথ এর উদ্যোগে ও প্রচারের ফলে এলাহাবাদ, কানপুর, লখনৌ প্রভৃতি অঞ্চলে স্থাপিত হয়েছিল।
মূল্যায়ন
ভারত সভার কার্যাবলী দেশে বৃটিশ বিরোধী মনোভাব জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। এই সমিতির প্রচেষ্টায় 1883 খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় সর্বভারতীয় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল অমলেশ ত্রিপাঠীর ভাষায় 'জাতীয় কংগ্রেসের মহড়া'। সুরেন্দ্রনাথের বলিষ্ঠ মনোভাবের কারণে তাকে 'সারেন্ডার নট' নামেও অভিহিত করা হয়।
![]() |
| মাধ্যমিক ইতিহাস |
উদ্দেশ্য:- এই ভারত সভার প্রতিষ্ঠার পেছনে উদ্দেশ্য ছিল চারটি। এই উদ্দেশ্যকে ভারত সভার লক্ষ্যও বলা যেতে পারে। এগুলি হল:-
1. ভারতে একটি শক্তিশালী জনমত গঠন করা।
2. ভারতের রাজনৈতিক স্বার্থে জাতি, ধর্ম ও গোষ্ঠীকে ঐক্যবদ্ধ করার।
3.হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি জোরদার করে তোলা।
4. ভারতবর্ষে সাধারণমানুষ কে গণ আন্দোলনে শামিল করা।
কার্যাবলী
ভারত সভার কার্যাবলী মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:-
1. কৃষকদের জন্য ভারত সভা জমিদারি অত্যাচার এবং 1859 খ্রিস্টাব্দের Rent Act এর বিরোধিতা করে।
2. ব্রিটিশ সরকার সিভিল সার্ভিসের বয়স 21 থেকে কমিয়ে 19 বছর করলে ভারত সভা প্রতিবাদ জানায়।
3. দেশীয় ভাষায় সংবাদপত্র আইন ও অস্ত্র আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে ভারত সভা জনমত গড়ে তোলে।
4. ইলবার্ট বিলের বিরুদ্ধে ভারত সভার আন্দোলন ছিল প্রশংসার যোগ্য।
5. ভারত সভা প্রতিনিধি মুলক শাসন পরিষদ গঠন, স্বায়ত্ব শাসন প্রবর্তন, প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন, মদ্যপান বন্ধ করা প্রভৃতির দাবিতে আন্দোলন চালায়।
6. 1905 খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে ভারত সভা স্বদেশী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
শাখাসমূহ:-
ভারত সভা কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হলেও এর শাখা মূলত সুরেন্দ্রনাথ এর উদ্যোগে ও প্রচারের ফলে এলাহাবাদ, কানপুর, লখনৌ প্রভৃতি অঞ্চলে স্থাপিত হয়েছিল।
মূল্যায়ন
ভারত সভার কার্যাবলী দেশে বৃটিশ বিরোধী মনোভাব জাগিয়ে তুলতে সাহায্য করেছিল। এই সমিতির প্রচেষ্টায় 1883 খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় সর্বভারতীয় জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা ছিল অমলেশ ত্রিপাঠীর ভাষায় 'জাতীয় কংগ্রেসের মহড়া'। সুরেন্দ্রনাথের বলিষ্ঠ মনোভাবের কারণে তাকে 'সারেন্ডার নট' নামেও অভিহিত করা হয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন