প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা এই ব্লগের মাধ্যমে 2019 এর মাধ্যমিক পরীক্ষা আসতে পারে একটি অন্যতম 4 নম্বর এর প্রশ্নের উত্তর আলোচনা করলাম এটি তোমাদের ষষ্ঠ অধ্যায় থেকে নেওয়া হয়েছে।
প্রশ্ন:- বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের প্রতি কৃষক শ্রেণীর আগ্রহ ছিল না কেন?
সূচনা:-
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী তথা স্বদেশী আন্দোলন চলাকালীন 1905-1908 সালে মতিহারি জেলার কৃষক আন্দোলনকে বাদ দিলে আর কোথাও সেরকম কৃষক আন্দোলন সংঘটিত হয়নি। নানা কারণে কৃষক শ্রেণী বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন থেকে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিল এর পেছনে কারণ গুলি হল যথা:-
1. কৃষি কর্মসূচির অভাব:-
এই আন্দোলনে কোন কৃষি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। যেমন খাজনা হ্রাস বা ভূমিস্বত্ব আইন সংরক্ষণ বা এসব তীর স্বার্থে জাতীয় কোনো দাবি স্বদেশী নেতারা কখনোই করেননি।
2. উচ্চবিত্তদের নেতৃত্ব:-
এই আন্দোলন কেবলমাত্র শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত নেতৃত্বে দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। বিশেষ করে শহুরে সম্প্রদায়ের মধ্যে এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল। এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নেতারা উদাসীন ছিলেন।
3. জোতদার জমিদার ঘেষা নীতি:-
স্বদেশী নেতাদের ধারণা হয়েছিল যে উচ্চবিত্ত ও জমিদার শ্রেণী সাহায্যপুষ্ট এই আন্দোলনে কৃষি কর্মসূচি সংযোজন করলে জমিদাররা অসন্তুষ্ট হবেন। তাই তারা জোতদার, জমিদার এদেরই প্রতি আস্থা রাখেন, কৃষকদের প্রতি নয়।
4 দূরদর্শিতার অভাব:-
ভারত কৃষি প্রধান দেশ এবং দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ অংশই কৃষক। এই কৃষক শ্রেণী ব্যতীত কোন আন্দোলন যে সফল হতে পারে না, এই চিরন্তন সত্যকে স্বদেশী নেতারা উপেক্ষা করে অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
মূল্যায়ন:-
উপরিউক্ত কারণে কৃষক শ্রেণী এই আন্দোলনে যোগদান করেননি। ঐতিহাসিক সুমিত সরকার বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের অসাফল্য ও অস্থায়িত্বের জন্য এই আন্দোলনের প্রতি অনীহার কথাই বলেছেন।
![]() |
| Madhyamik History |
প্রশ্ন:- বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনের প্রতি কৃষক শ্রেণীর আগ্রহ ছিল না কেন?
সূচনা:-
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী তথা স্বদেশী আন্দোলন চলাকালীন 1905-1908 সালে মতিহারি জেলার কৃষক আন্দোলনকে বাদ দিলে আর কোথাও সেরকম কৃষক আন্দোলন সংঘটিত হয়নি। নানা কারণে কৃষক শ্রেণী বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন থেকে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিল এর পেছনে কারণ গুলি হল যথা:-
1. কৃষি কর্মসূচির অভাব:-
এই আন্দোলনে কোন কৃষি কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। যেমন খাজনা হ্রাস বা ভূমিস্বত্ব আইন সংরক্ষণ বা এসব তীর স্বার্থে জাতীয় কোনো দাবি স্বদেশী নেতারা কখনোই করেননি।
2. উচ্চবিত্তদের নেতৃত্ব:-
এই আন্দোলন কেবলমাত্র শিক্ষিত ও উচ্চবিত্ত নেতৃত্বে দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল। বিশেষ করে শহুরে সম্প্রদায়ের মধ্যে এই আন্দোলন সীমাবদ্ধ ছিল। এই আন্দোলনকে তৃণমূল স্তর পর্যন্ত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রেও নেতারা উদাসীন ছিলেন।
3. জোতদার জমিদার ঘেষা নীতি:-
স্বদেশী নেতাদের ধারণা হয়েছিল যে উচ্চবিত্ত ও জমিদার শ্রেণী সাহায্যপুষ্ট এই আন্দোলনে কৃষি কর্মসূচি সংযোজন করলে জমিদাররা অসন্তুষ্ট হবেন। তাই তারা জোতদার, জমিদার এদেরই প্রতি আস্থা রাখেন, কৃষকদের প্রতি নয়।
4 দূরদর্শিতার অভাব:-
ভারত কৃষি প্রধান দেশ এবং দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ অংশই কৃষক। এই কৃষক শ্রেণী ব্যতীত কোন আন্দোলন যে সফল হতে পারে না, এই চিরন্তন সত্যকে স্বদেশী নেতারা উপেক্ষা করে অদূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছিলেন।
মূল্যায়ন:-
উপরিউক্ত কারণে কৃষক শ্রেণী এই আন্দোলনে যোগদান করেননি। ঐতিহাসিক সুমিত সরকার বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের অসাফল্য ও অস্থায়িত্বের জন্য এই আন্দোলনের প্রতি অনীহার কথাই বলেছেন।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন