মাধ্যমিক ইতিহাস তৃতীয় অধ্যায় 2 নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর || প্রতিরোধ ও বিদ্রোহ : বৈশিষ্ট্য ও বিশ্লেষণ
Madhyamik History suggestions
1.বিপ্লব বলতে কী বোঝ?
Ans: “বিপ্লব” শব্দের অর্থ হল আমূল পরিবর্তন।যখন কোনো দেশ বা জাতির প্রায় সমগ্র অংশ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় ব্যবস্থার সম্পূর্ণ বদল ঘটানোর লক্ষ্যে বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হয়,তখন তাকে বিপ্লব বলে। যেমন – ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে ফ্রান্সের ফরাসি বিপ্লব।
2.বিদ্রোহ কাকে বলে?
Ans: কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে নির্দিষ্ট কিছু মানুষ যখন নিজেদের স্বার্থে কোনো শাসক,শাসন কর্তৃপক্ষ বা সরকারের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়,তাকে বিদ্রোহ বলে।বিদ্রোহের প্রভাব সীমিত। উদাহরণ – সিপাহি বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ ইত্যাদি।
3. অভ্যুত্থান কী?
Ans. "অভ্যুত্থান" বলতে বোঝায় কোন প্রচলিত ব্যবস্থার বিরুদ্ধে নিজ গোষ্ঠীর একাংশের সংগ্রাম।
উদাহরণ - ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একাংশের উদ্যোগে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সিপাহী বিদ্রোহ বা ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দে নৌ বিদ্রোহ।
4.ঔপনিবেশিক অরণ্য আইন বলতে কী বোঝ?
Ans: ভারতে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠার পর ব্রিটিশ সরকার ভারতের অরণ্য তথা বনসম্পদের ওপর ভারতীয়দের অধিকার খর্ব করে সরকারি আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে বেশ কয়েকটি আইন প্রণয়ন করে।এগুলি “ঔপনিবেশিক” অরণ্য আইন নামে পরিচিত। যেমন – ১৮৬৫ এবং ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দের অরণ্য আইন
5. খুৎকাঠি প্রথা কি?
Ans. খুৎকাঠি কথার অর্থ হল জমির যৌথ মালিকানা। এই প্রথা অনুযায়ী মুন্ডারা দীর্ঘদিন ধরে গোষ্ঠীবদ্ধভাবে জমির যৌথমালিকানা ভোগ করত। কিন্তু ভারতে ব্রিটিশ শাসনের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসিদের পুরোনো ভুমিব্যবস্থার অবসান ঘটে এবং সেখানে জমি জরিপ ও ব্যাক্তিগত মালিকানার আবির্ভাব ঘটে।
6. দাদন প্রথা কি?
Ans. দাদন কথাটির অর্থ হল অগ্রিম। রায়তি চাষ বা দাদনি চাষ বা বেএলাকা চাষ পদ্ধতিতে জমিতে নীল চাষের জন্য কৃষকদের বিঘা প্রতি 2 টাকা অগ্রিম বা দাদন দেওয়া হত। এর বিনিময়ে বাংলার কৃষকদের নীল চাষে বাধ্য করা হত। একবার দাদন নিলে তা কখনই পরিশোধ হতনা। আবার দাদন না নিলে চাষিদের গোরু-বাছুর ইত্যাদি নীলকুঠিতে আটকে রাখা হত। দীন-দরিদ্র, সহজ-সরল, কৃষকরা এতে সর্বস্বান্ত হয়।
7.মুন্ডা বিদ্রোহের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
Ans: a.মুন্ডাদের চিরাচরিত আইন, শাসন ও বিচারব্যবস্থা ভেঙে দিয়ে ব্রিটিশ সরকার যে নতুন ব্যবস্থা চালু করেছিল,তা বাতিল করে পুনরায় স্বাধীন মুন্ডারাজ্য প্রতিষ্ঠা করা।
b. “দিকু” অর্থাৎ বহিরাগত জমিদার, মহাজন, ঠিকাদার ও ব্যাবসায়ীদের মুন্ডা অধ্যুষিত অঞ্চল থেকে বিতাড়িত করা।
8.পাগলপন্থী কাদের বলা হয়?
Ans: ঔপনিবেশিক শাসনকালে অবিভক্ত বাংলার ময়মনসিংহ জেলার সুসঙ্গপুর – শেরপুর অঞ্চলে গারো ও হাজং উপজাতির লোকেরা বসবাস করতেন। করম শাহ(চাঁদ গাজি) নামে জনৈক ফকির এই উপজাতি গোষ্ঠীর মধ্যে এক নতুন ধর্মমত(বাউল ধর্ম )প্রচার করেন। এই ধর্মের অনুগামীরা পাগলপন্থী নামে পরিচিত।
9. বারাসাত বিদ্রোহ কী? অথবা, কে, কী উদ্দেশ্যে বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন ?
Ans. জমিদার, নীলকর ও কোম্পানির কর্মচারিদের শাসন, শোষণ, অত্যাচার ও বাড়তি করের বিরুদ্ধে তিতুমির বিদ্রোহী হন। চব্বিশ পরগণা জেলার বারাসাতের নারকেলবেড়িয়া গ্রামে তিনি একটি বাঁশেরকেল্লা বা দুর্গ নির্মাণ করে এর বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা করেন। ইংরেজদের গোলায় তার বাঁশের কেল্লা ধ্বংস হয়। 1831 খ্রিস্টাব্দের 19 নভেম্বর যুদ্ধে তিনি নিহত হন। ইতিহাসে এটি বারাসাত বিদ্রোহ নামে পরিচিত।
10. বুদ্ধ ভগৎ কে ছিলেন? দামিন-ই-কোহ শব্দের অর্থ কি?
Ans. 1831-32 খ্রিষ্টাব্দে বিহারের ছোটনাগপুর অঞ্চলে কোলরা যে বিদ্রোহ করেছিল তাদের অন্যতম নেতা ছিলেন বুদ্ধ ভগৎ।
দামিন-ই-কোহ শব্দের অর্থ হল পাহাড়ের প্রান্তদেশ।
11.কোল বিদ্রোহের দুটি কারণ লেখো।
Ans: a. রাজস্ব বৃদ্ধি :
ইংরেজরা কোল অধ্যুষিত অঞ্চলে বহিরাগত বিভিন্ন জমিদারদের ইজারা দেয়। জমিদাররা কোলদের ওপর রাজস্বের পরিমান বহুগুণ বৃদ্ধি করে।
b.অত্যাচার :
কর আদায়ের জন্য বহিরাগতরা কোলদের নানাভাবে নিপীড়ন করতো।পুরুষদের বন্দি করে রাখা হত এবং বেগার খাটানো হত।
12.নীল কমিশন কী উদ্দেশ্যে এবং কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
Ans: ••নীলচাষিদের অভিযোগ ও নীলচাষ সম্বন্ধে অনুসন্ধানের জন্য ব্রিটিশ সরকার ১৮৬০ সালের ৩১ মার্চ নীল কমিশন গঠন করে।
•• পাঁচজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়। (সরকার পক্ষের সীটন কার ও আর টেম্পল, পাদরিদের পক্ষে রেভারেন্ড সেল, নীলকর সমিতির পক্ষ থেকে ফারগুসন এবং ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে চন্দ্রমোহন চট্টোপাধ্যায়)।
13."তারিকা-ই-মহম্মদীয়া” কী?
Ans: “তারিকা-ই-মহম্মদীয়া” কথার অর্থ হল মহম্মদ প্রদর্শিত পথ।ইসলাম ধর্মের মধ্যে যে অ-ইসলামীয় আদর্শ প্রবেশ করেছে তা দূর করে ইসলামের সংস্কার করা ও যথার্থ কোরাণ নির্দেশিত পথে পরিচালিত করার উদ্দেশ্যে অষ্টাদশ শতকে আরবে আব্দুল ওয়াহাব নামে এক ব্যক্তি ওয়াহাবি আন্দোলন শুরু করেন।এই আন্দোলনেরই প্রকৃত নাম “তারিকা-ই-মহম্মদীয়া”।
14.ওয়াহাবি আন্দোলনের ব্যর্থতার দুটি কারণ লেখো।
Ans: a.সুপরিকল্পনার অভাব :
বিদ্রোহ পরিচালনা করার জন্য যে সুপরিকল্পনা দরকার তা বিদ্রোহীদের মধ্যে ছিল না।
b. আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের অভাব :
আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীরা পেরে উঠতে পারেনি। কারণ, বিদ্রোহীদের তেমন আধুনিক অস্ত্র ছিল না।
15."বেএলাকা চাষ” বলতে কী বোঝো?
Ans: নীলকররা চাষিকে আগাম টাকা দাদন দিয়ে চাষির জমিতে নীলচাষ করার জন্য যখন চুক্তি হত তখন তাকে বলা হত ‘রায়তি’ বা ‘দাদনী’ বা ‘বেএলাকা চাষ’। নীলকররা বেশি লাভের আশায় এই চাষে উৎসাহী ছিল।
16. বিরসা মুন্ডা স্মরণীয় কেন?
Ans. মুন্ডা বিদ্রোহের প্রধান নেতা বিরসা মুন্ডা মুন্ডাদের দীর্ঘদিনের অরণ্য সম্পদের অধিকারের ওপর সরকারি বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে ব্রিটিশরাজের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীন মুন্ডারাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।তিনি বলেন বিদেশিদের বহিষ্কার না করলে কখনই স্বাধীনভাবে ধর্মচারণ করা সম্ভব নয়।অচিরেই তিনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন ও মুন্ডাদের চোখে ভগবান রূপে পুজিত হতে থাকেন। 1900 খ্রিস্টাব্দে এই মহান নেতা মৃত্যুবরণ করেন।
17. তিন কাঠিয়া প্রথা কী?
Ans. বিহারের চম্পারণে নীলকর সাহেবরা চাষিদের বিঘা প্রতি (20 কাঠার মধ্যে তিন কাঠা অর্থাৎ 3/20 অংশ) জমিতে নীলচাষ ও নির্দিষ্ট দামে উৎপাদিত নীল নীলকর সাহেবদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য থাকত। এই ব্যবস্থাই তিনকাঠিয়া প্রথা নামে পরিচিত।
18. ওয়াহাবি কথার অর্থ কি ভারতে কে এই আন্দোলনের সূচনা করেন?
Ans. ওয়াহাবি কথার অর্থ নবজাগরন। ভারতে ওয়াহাবি আন্দোলনের সুচনা করেছিলেন দিল্লির বিখ্যাত মুসলিম সন্ত শাহ ওয়ালিউল্লাহ ও তার পুত্র আজিজ। শাহ ওয়ালিউল্লাহ এই আন্দোনের সুচনা করলেও ভারতে এই আন্দোলনের প্রকৃ ত প্রতিষ্ঠাতা হলেন উত্তর প্রদেশের রায় বেরিলির অধিবাসি সৈয়দ আহমেদ ব্রেল্ভি।
18. ফরাজী কথার অর্থ কি? ভারতে কে এই আন্দোলনের সূচনা করেন?
Ans. ‘ফরাজি’ কথাটি এসেছে আরবি শব্দ ‘ফরাইজ’’ বা ‘ফরাইজ’ থেকে, যার অর্থ ইসলাম নির্দিষ্ট বাধ্যতামূলক কর্তব্য। ফরাজি আন্দোলনের প্রবর্তন করেছিলেন হাজি শরিয়ত উল্লাহ (1781-1837 খ্রিস্টাব্দ)।
19. ফরাজি আন্দোলন কেন হয়েছিল?
Ans. উনিশ শতকে ভারতে মুসলমানদের মধ্যে কুসংস্কার, অনাচার দূর করে তাদেরকে পবিত্র ইসলামধর্মের অনুগামী করে তোলার জন্য হাজি শরিয়তউল্লাহ এক পুনরুজ্জীবনবাদী আন্দোলন গড়ে তোলেন। এটি ফরাজি আন্দোলন নামে পরিচিত। 1818 খ্রিস্টাব্দে থেকে 1906 খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই আন্দোলন চলেছিল।
20. সাঁওতাল বিদ্রোহের দুটি গুরুত্ব লেখ ?
Ans. সাঁওতাল বিদ্রোহ ব্যর্থ হলেও এর পরোক্ষ ফলাফল বা গুরুত্ব ছিল সুদূরপ্রসারী।
গুরুত্বঃ-(i) এই বিদ্রোহের ভয়াবহতা লক্ষ্য করে সরকার তাদের প্রতি নমনীয় নীতি গ্রহণ করে, যেমন—সাঁওতালদের পৃথক উপজাতি রূপে স্বীকৃতিদান করে, সাঁওতাল অধ্যুষিত এলাকা নিয়ে পৃথক ‘সাঁওতাল পরগনা’ গঠন করে, (ii) সাঁওতাল পরগনায় বাঙালি মহাজনসহ বহিরাগত দিকুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়, (ii) সরকার কর্তৃক সুদের হার নির্দিষ্ট কর হয়, (iv) সাঁওতাল পরগনাকে ব্রিটিশ আইনের প্রভাবমুক্ত করা হয়।
21. বিদ্রোহ ও বিপ্লবের মধ্যে পার্থক্য কি?
Ans. i. বিদ্রোহ হলপ্রচলিত ব্যাবস্থার তীব্র বিরোধিতা করা। বিপ্লব বলতে বোঝায় কোনো প্রচলিল ব্যাবস্থার অতিদ্রুত ও কার্যকারী পরিবর্তন।
ii. বিদ্রোহ স্বল্প মেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে , অন্যদিকে বিপ্লব দীর্ঘস্থায়ী হয়।
iii. বিদ্রোহ যেমন- নীল বিদ্রোহ, সাঁওতাল বিদ্রোহ, রংপুর বিদ্রোহ, অন্যদিকে বিপ্লব যেমন- ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডের শিল্প বিপ্লব।
22. চুয়াড় বিদ্রোহের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখ ?
Ans.1898-99 খ্রিস্টাব্দে সংঘঠিত জঙ্গলমহলসহ মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে সংঘঠিত হয় চুয়াড় বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহের কতগুলি বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়।
বৈশিষ্ট্য : (i) চুয়াড়রা ছিল সশস্ত্র উপজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষ। (i i) বিদ্রোহী চুয়াড় উপজাতিদের সাথে জমিদারগণও বিদ্রোহে অংশগ্রহন করে।( i i i)এই বিদ্রোহ দুটি পর্যায়ে ঘটে।
23. কোল বিদ্রোহের বৈশিষ্ট্য গুলি লেখ?
Ans. i. কোল বিদ্রোহে আধিবাসি সম্প্রদায়ভুক্ত কোলদের কাছে বহিরাগত দিকু ও ইংরেজদের অত্যাচার থেকে মুক্তি ছিল স্বাধীনতা শামিল।
ii. অরন্যের অধিকার রক্ষায় তারা একজোট হয়েছিল।
24. কেনারাম ও বেচারাম বলতে কী বোঝো?
Ans.
‘কেনারাম’ ও ‘বেচারাম’ দু-ধরনের তারতম্য যুক্ত বাটখারা। ‘কেনারাম' নামক বাটখারা দ্বারা সাঁওতাল অধ্যুষিত অঞ্চলের বহিরাগত ব্যবসায়ীরা সাঁওতালদের কাছ থেকে বেশি ওজনের বাটখারা দিয়ে কৃষিপণ্য ক্রয় করে তাদের ঠকাতো। আবার ‘বেচারাম’ নামক কম ওজনের বাটখারা দিয়ে তাদের বিভিন্ন দ্রব্য যেমন—চিনি, লবণ ইত্যাদি বিক্রি করা হত। এর ফলে দুভাবেই অসহায়, দরিদ্র সাঁওতালদের ঠকানো হত।
25. রংপুর বিদ্রোহ কি?
Ans. 1783 খ্রিস্টাব্দে পূর্ণিয়ার অত্যাচারী ইজারাদার দেবীসিংহের বিরুদ্ধে রংপুর তথা সমগ্র উত্তরবঙ্গের কৃষকরা নুরুলউদ্দিনের নেতৃত্বে যে বদ্রোহ শুরু করে তা রংপুর বিদ্রোহ নামে পরিচিত।মোগলহাট ও পাটগ্রামের যুদ্ধে বিদ্রোহিরা পরাস্ত হলে এই বিদ্রোহের অবসান ঘটে।
26. দুদু মিঞা স্মরণীয় কেন?
Ans. 1837 খ্রিস্টাব্দে ফরাজি আন্দোলনের প্রবর্তক হাজি শরিয়তউল্লাহ-এর মৃত্যুর পর তাঁর সুযোগ্য পুত্র মহম্মাদ মহসিন বা দুদুমিঞা আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহন করেন ।তিনি ছিলেন দক্ষ সংগঠক ও রাজনৈতিক চেতনা সম্পন্ন ব্যাক্তিত্ব ও এই আন্দোলনের প্রাণপুরুষ।
তিনি জমিদারদের পূজা-পার্বণ ইত্যাদিতে কর না দেওয়ার পরামর্শ দেন।তার সুযোগ্য নেতৃত্বে ফরাজি আন্দোলন ধার্মীয়-সামাজিক আন্দোলন থেকে সামাজিক –অর্থনোইতিক-রাজনোইতিক আন্দোলনে পরিনত হয়।এই জন্য দুদুমিঞা স্বরণীয়।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন