উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস
দ্বাদশ শ্রেণি
গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন
তৃতীয় অধ্যায়
উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস তৃতীয় অধ্যায় পূর্বের শর্ট প্রশ্নগুলো পড়তে-CLICK HERE
১২৫) কোন ব্যবসাকে কেন্দ্র করে প্রথম ইঙ্গ চীন যুদ্ধ হয়?
আফিং।
১২৬) চীন জাপান যুদ্ধ কবে হয়? এই যুদ্ধে কে পরাজিত হয়?
1898 থেকে 1895 খ্রিস্টাব্দে চীন-জাপান যুদ্ধ হয়। চীন এই যুদ্ধে পরাজিত হয়।
১২৭) দ্বিতীয় আফিমের যুদ্ধ কবে হয় ? এই যুদ্ধে পরাজিত চীন কোন সন্ধি করে?
1856 খ্রিস্টাব্দে হয়। আইগুনের সন্ধি করে।
১২৮) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চীনের অসম চুক্তি কি নামে পরিচিত?
ওয়াং ঘিয়ারের অসম চুক্তি।
১২৯) বগের অসম চুক্তি কবে কার মধ্যে হয়?
৮ ই অক্টোবর ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ সরকার ও চীনের মধ্যে।
১৩০) অসম চুক্তি কি?
উনিশ শতকের বা বিশ শতকের শুরুতে চীনে কিং বা চিং বংশের শাসনকালে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান প্রভৃতি বহিরাগত সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো তাদের সামরিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে চীনকে যুদ্ধে পরাজিত করে সেদেশে নিজেদের অর্থনৈতিক ও সামরিক আধিপত্যের প্রসার ঘটায়। এই সমস্ত সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো প্রায় প্রত্যেকটি যুদ্ধের পরে চিনে এর উপর একটি শোষণমূলক সন্ধিচুক্তি চাপিয়ে দেয়, এই চুক্তি গুলি সাধারণ ভাষায় 'অসম- চুক্তি' নামে পরিচিত।
১৩১) শতাব্দিব্যাপী অবনমননা কি?
মোটামুটি ভাবে 1839 খ্রিস্টাব্দ থেকে 1949 খ্রিস্ট পূর্ব পর্যন্ত বিদেশী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো চীনের সঙ্গে শোষণমূলক আচরণ চালাতে থাকে। এজন্য চীনের সঙ্গে পশ্চিমা শক্তিগুলো স্বাক্ষরিত অসম চুক্তি গুলি কে চীনারা "শতাব্দি ব্যাপী অবনমননা" বলে অভিহিত করা হয়।
১৩২) চুক্তি বন্দর কাকে বলে?
ক্যান্টন, সাংহাই, অ্যাময়, নিংগপো, ফুচাও- চীনের এই পাঁচটি বন্দর ইউরোপীয়দের বাণিজ্য ও ব্যবসার জন্য খুলে দেওয়া হয়। এই বন্দরগুলোকে একত্রে 'চুক্তি বন্দর' বলা হয়।
১৩৩) ক্যান্টন বাণিজ্য প্রথা কি?
1757 খ্রিস্টাব্দের পরবর্তীকালে ক্যান্টন হয়ে ওঠে বিদেশিদের বাণিজ্যের কাছে একমাত্র উন্মুক্ত বন্দর। চিনা আদালত 1759 খ্রিস্টাব্দে এক নির্দেশনামা দ্বারা একমাত্র ক্যান্টন বন্দর কে বিদেশিদের বাণিজ্যের জন্য উন্মুক্ত বলে ঘোষণা করে। এভাবে ক্যান্টন বন্দর কে কেন্দ্র করে চিনে বিদেশিদের এক বন্দর কেন্দ্রিক যে বাণিজ্য প্রথার সূচনা হয়, তাই 'ক্যান্টন বাণিজ্য প্রথা' নামে পরিচিত।
১৩৪) রুদ্ধদ্বার নীতি কি?
বাণিজ্যের মরশুম চীনে শেষ হলে বিদেশী বণিকদের ক্যান্টন ত্যাগ করতেই হতো, চীনে বিদেশী বণিকদের প্রতি এই ধরনের কঠোর নীতি 'রুদ্ধদ্বার নীতি' নামে পরিচিত।
১৩৫) চিনা তরমুজের খন্ডীকরণ কি?
খাওয়ার জন্য তরমুজকে যেমন খণ্ড-খণ্ড করে কাটা হয়, পাশ্চাত্য দেশ গুলি সেই ভাবেই চীনকে টুকরো টুকরো করে আত্মসাৎ করে। ঐতিহাসিক হরাল্ড ভিনাক এই অবস্থাকে 'চিনা তরমুজের খন্ডীকরণ' বলেছেন।
১৩৬) পন্ডিচেরিতে কাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল?
ফরাসিদের।
১৩৭) বাংলার প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
লর্ড ক্লাইভ।
১৩৮) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কোথায় চালু হয়?
বাংলায়।
১৩৯) রুদ্ধদ্বার নীতি প্রচলিত ছিল কোথায়
চীনে।
১৪০) সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন কে
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
১৪১) চিনা 'তাই চিং' কথার অর্থ
স্বর্গীয় শান্তি
১৪২) দস্তক
মুঘল সম্রাট ফারুকশিয়ার 1717 খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্দেশ্যে এক ফরমান জারি করেন। এই ফরমানে বলা হয় কোম্পানি বার্ষিক 3000 টাকার বিনিময়ে বাংলায় বিনাশুল্কে বাণিজ্য করতে পারবে। ফারুকশিয়ারের এই ফরমানই 'দস্তক' নামে পরিচি
১৪৩) দস্তক কথার অর্থ কি
বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার ছাড়পত্র
১৪৪) আলিনগরের সন্ধি কবে কাদের মধ্যে হয় ? শর্ত কি
১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিরাজউদ্দৌলা ও ইংরেজদের মধ্যে আলিনগরের সন্ধি হয়েছি
শর্তাবলী-১) ইংরেজরা বিনাশুল্কে বাণিজ্য করার অধিকার পায়
২) ইংরেজরা কলকাতায় দুর্গ নির্মাণ ও নিজেদের নামে মুদ্রা প্রচলনের অধিকার পা
১৪৫) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা কি
1757 খ্রিস্টাব্দে ইংরেজরা পলাশীর যুদ্ধে জয়ী হবার পর লর্ড ক্লাইভ বাংলায় এক অদ্ভুত শাসন ব্যবস্থা চালু করে।
যেখানে কোম্পানির হাতে ক্ষমতা ছিল প্রচুর অথচ তারা কোনো দায়িত্ব নেয়নি। অন্যদিকে, নবাবের হাতে প্রচুর দায়িত্ব দেয়া হয়, কিন্তু তার হাতে কোনো ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। কোম্পানির ছিল দায়িত্বহীন ক্ষমতা এবং নবাবের ছিল ক্ষমতাহীন দায়িত্ব। ক্লাইভ প্রবর্তিত এই অদ্ভুত শাসনকে 'দ্বৈত শাসন' বলা হয়।
১৪৬) পিটের ভারত শাসন আইন
রেগুলেটিং অ্যাক্ট এর ত্রুটি গুলি সংশোধন করে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উয়িলিয়াম পিটের উদ্যোগে ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে "ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অ্যাক্ট" নামে একটি আইন পাশ হয়, যা "পিটের ভারত শাসন আইন" নামে পরিচি
ত। কি?য়।ন।?য়।।ল।ছিল?।?ত।কি?। কি?।?নে।?য়।?ভ।ন?র।ল?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন