যুক্তি (প্রথম অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা – উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Philosophy Question and Answer
সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – যুক্তি (প্রথম অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা প্রশ্ন ও উত্তর | HS Philosophy Question and Answer :
১) কোন অনুমানের সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্য থেকে আবশ্যিক আরোহ ভাবে নিঃসৃত হয় না - আরোহ।
২) যে যুক্তির সিদ্ধান্ত আশ্রয়বাক্যের চেয়ে অধিক ব্যাপক হয় - আরোহ।
৩) যুক্তির হেতুবাক্য সত্য হলে সিদ্ধান্ত কখনও মিথ্যা হতে পারে না ।
বৈধ।
৪) অবৈধ যুক্তির সিদ্ধান্ত সত্য হতে পারে না – উক্তিটি মিথ্যা ।
৫)কোনো যুক্তির সিদ্ধান্ত মিথ্যা হলে যুক্তিটি – বৈধ ও অবৈধ।
৬)বৈধ অবরোহ যুক্তির যুক্তিবাক্য সত্য হলে সিদ্ধান্ত হবে– সত্য।
৭)যুক্তিবিদ্যার ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো - LOGIC.
8)যুক্তির অবয়ব কীসের দ্বারা গঠিত ?
পদের দ্বারা ।
৯)বৈধতা কার ধর্ম ?
যুক্তির।
১০)কোন যুক্তির অবয়বগুলি নিরপেক্ষ বচন ?
অমাধ্যম।
১১)অবরোহ যুক্তিটি বৈধ হলে কখনোই এমন হয় না যে – হেতুবাক্য মিথ্যা কিন্তু সিদ্ধান্ত সত্য ।
১২)যুক্তি কয় প্রকার ?
দুই প্রকার।
১৩)যুক্তিতে যে বচনের সত্যতা দাবি করা হয় তাকে কী বলে ?
সিদ্ধান্ত।
১৪)অবৈধ অবরোহ যুক্তির হেতুবাক্য সত্য হলে সিদ্ধান্তটি - মিথ্যা হয়।
অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – যুক্তি (প্রথম অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা প্রশ্ন ও উত্তর | HS Philosophy Question and Answer :
১) যুক্তিবাক্য বা আশ্রয়বাক্য বা হেতুবাক্য কাকে বলে ?
Ans: যে বাক্য থেকে সিদ্ধান্তকে প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে যুক্তিবাক্য বা আশ্রয়বাক্য বা হেতুবাক্য বলে ।
২) যুক্তিবিদ্যা কী নিয়ে আলোচনা করে ?
Ans: যুক্তিবিদ্যা মূলত এমন কতকগুলি সূত্র বা বিধি নিয়ে আলোচনা করে , যেগুলি দিয়ে বৈধ যুক্তিকে অবৈধ যুক্তির দ্বারা পৃথক করা যায় ।
৩) যুক্তি কাকে বলে ?
Ans: অনুমান ভাষায় প্রকাশিত হলে তাকে যুক্তি বলে ।
৪) যুক্তির অবয়বগুলি কী ?
Ans: যুক্তির অংশগুলিকে বলে যুক্তির অবয়ব । অর্থাৎ , যেসব বচন দিয়ে যুক্তি গঠন করা হয় সেগুলি পৃথকভাবে বা সম্মিলিতভাবে যুক্তির অবয়ব । যুক্তি প্রধানত দু’প্রকার অবরোহ যুক্তি ও আরোহ যুক্তি । উভয় প্রকার যুক্তি একাধিক বচন দ্বারা গঠিত হয় । এ বচনগুলিই যুক্তির অবয়ব ।
৫) অবরোহ যুক্তি কাকে বলে ?
Ans: যে যুক্তিতে আশ্রয়বাক্য থেকে সিদ্ধান্ত অনিবার্যভাবে নিঃসৃত হয় , তাকে বর অবরোহ যুক্তি ।
৬) অবরোহ যুক্তির একটি দৃষ্টান্ত দাও ।
Ans: সকল মানুষ হয় মরণশীল জীব । সকল দার্শনিক হয় মানুষ । সকল দার্শনিক হয় মরণশীল জীব ।
৭) আরোহ অনুমানের আকারগত ভিত্তি কী ?
Ans: আরোহ অনুমানের আকারগত ভিত্তি হলো — প্রকৃতির একরূপতা নীতি ও কার্যকারণ ।
৮) আরোহ যুক্তির দু’টি বৈশিষ্ট্য লেখো ।
Ans: আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্ত সর্বদাই একাধিক যুক্তিবাক্য থেকে নিঃসৃত হয় । আরোহ যুক্তির সিদ্ধান্তটি আশ্রয়বাক্য অপেক্ষা সবসময় ব্যাপকতর হয় ।
৯) যুক্তির আকার কাকে বলে ?
Ans: একাধিক বচনগ্রাহকের প্রতীকী কাঠামোকে যুক্তির আকার বলা হয় ।
১০) অনুমান ও যুক্তির পার্থক্য কী ?
Ans: অনুমান হলো একটা মানসিক প্রক্রিয়া এবং অনুমানের ভাষাগত রূপই হলো যুক্তি ।
১১) সিদ্ধান্তবাক্য কাকে বলে ?
Ans: কোনো যুক্তিতে যে বাক্যকে প্রমাণ করা হয় , তাকেই বলে সিদ্ধাস্তবাক্য ।
১২) যুক্তি ও যুক্তির আকারের মধ্যে সম্পর্ক কী ?
Ans: একটি যুক্তি হলো তার নির্দিষ্ট যুক্তি আকারের নিবেশন দৃষ্টান্ত ।
১৩)নিয়ম আরোহের সমস্যা কী ?
Ans: আরোহের সমস্যা হলো— কীভাবে সামান্যীকরণ বৈধ হবে তা নির্ণয় করা ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন