উচ্চমাধ্যমিক দর্শন প্রশ্ন ও
উত্তর
বচনের বিরোধিতা (তৃতীয় অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা | HS Philosophy Question and Answer
বচনের বিরোধিতা (তৃতীয় অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা – উচ্চমাধ্যমিক দ্বাদশ শ্রেণীর দর্শন প্রশ্ন ও উত্তর | HS Class 12th Philosophy Question and Answer
• MCQ - সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – বচনের বিরোধিতা (তৃতীয় অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা প্রশ্ন ও উত্তর | HS Philosophy Question and Answer :
১) A বচন মিথ্যা হলে I বচন হবে – অনিশ্চিত।
২)E বচন সত্য , A বচন হবে – মিথ্যা।
৩)E বচন মিথ্যা হলে A বচন হবে – অনিশ্চিত।
৪)E বচন সত্য হলে O বচন হবে – সত্য।
৫)বচনের বিরোধানুমান হলো একপ্রকার-অমাধ্যম অনুমান।
৬)একই উদ্দেশ্য ও বিধেয়বিশিষ্ট দুটি সামান্য বচনের মধ্যে বিরোধিতা অবস্থান করে তাকে বলা হয়- বিপরীত বিরোধিতা।
৭)একই উদ্দেশ্য ও বিধেয়বিশিষ্ট দুটি বিশেষ বচনের মধ্যে - অধীন বিপরীত বিরোধিতা।
৮)যদি A বচন মিথ্যা হয় , I তবে বচনের সত্যমূল্য হবে - মিথ্যা।
৯)যদি A বচন মিথ্যা হয় তবে O বচন হবে – সত্য।
১০)অধীন বিপরীত বিরোধিতা হয় – 'I' ও 'O' বচনের মধ্যে।
১১)O বচন সত্য হলে E বচন হবে – অনিশ্চিত।
১২)O বচন মিথ্যা হলে I বচন হবে – সত্য।
১৩)E বচনের অতিবিষম বচন কানটি ?
A বচন
১৪) I বচন সত্য হলে E বচন হবে- মিথ্যা।
১৫) বচনের বিরোধিতা কয় প্রকার ?
চার প্রকার।
১৬)তর্কবিদ্যায় দু’টি সমজাতীয় বচন কী হবে ?
উদ্দেশ্য ও বিধেয় এক হবে।
• SAQ - অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর | উচ্চমাধ্যমিক দর্শন – বচনের বিরোধিতা (তৃতীয় অধ্যায়) অবরোহমূলক তর্কবিদ্যা প্রশ্ন ও উত্তর | HS Philosophy Question and Answer :
১) বচনের বিরোধিতার জন্য কোন বচনের প্রয়োজন ?
Ans: নিরপেক্ষ বচন ।
২)বিরুদ্ধ বিরোধিতার একটি উদাহরণ দাও ।
Ans: বিরুদ্ধ বিরোধিতার একটি উদাহরণ হলো- A- সকল শিক্ষক হয় জ্ঞানী । O – কোনো কোনো শিক্ষক নয় জ্ঞানী ।
৩)বিরুদ্ধ বিরোধিতা কাকে বলে ?
Ans: দু’টি বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয় এক হয়েও গুণ ও পরিমাণ উভয় দিক থেেকে যদি একটি বচনের বিরোধ দেখা যায় তবে তাদের সম্পর্ককে বিরুদ্ধ বিরোধিতার সম্পর বলা হয় ।
৪)বচনের বিরোধিতার জন্য ক’টি বচন প্রয়োজন ?
Ans: বচনের বিরোধিতার জন্য দু’টি নিরপেক্ষ বচন প্রয়োজন ৷
৫)বচনের বিরোধিতার প্রকারভেদ কী কী ?
Ans: 1. বিপরীত বিরোধিতা 2. বিরুদ্ধ বিরোধিতা 3. অধীন বিপরীত বিরোধিতা 4. অসম বিরোধিতা ।
৬)দু’টি বিশেষ বচনের মধ্যে কোন বিরোধিতার সম্বন্ধ হয় ?
Ans: অধীন বিপরীত বিরোধিতার সম্বন্ধ হয় ।
৭)অসম বিরোধিতায় কোন বচনটিকে অনুবর্তী বলে ?
Ans: অসম বিরোধিতায় যে বচনটির পরিমাণ বিশেষ সেই বচনটিকে অনুবর্তী বলে ।
৮)অসম বিরোধিতায় কোন বচনটিকে অতিবর্তী বলা হয় ?
Ans: অসম বিরোধিতায় যে বচনটির পরিমাণ সার্বিক সেই বচনটিকে অতিবর্তী বলে ।
৯)অসম বিরোধিতার বৈশিষ্ট্য লেখো ।
Ans: উত্তর যদি সামান্য বচনটি সত্য হয় তাহলে তার অনুরূপ বিশেষ বচনটি সত্য হবে । আর যদি বিশেষ বচনটি মিথ্যা হয় তবে সামান্য বচনটি মিথ্যা হবে ।
১০)বচনের বিরোধিতার জন্য দু’টি বচনের উদ্দেশ্য ও বিধেয় কেমন ?
Ans: বচন দু’টির উদ্দেশ্য ও বিধেয় একই থাকে ।
১১) A বচনের বিরুদ্ধ বচন কোনটি ?
Ans-O বচন হলো A বচনের বিরুদ্ধ বচন ।
১২) বচনের বিরুদ্ধ বচন কোনটি ?
Ans: E বচন হলো I বচনের বিরুদ্ধ বচন ।
১৩)অ্যারিস্টটল কী স্বীকার করেননি ?
Ans: যুক্তিবিজ্ঞানী অ্যারিস্টটল অসম বিরোধিতাকে বিরোধিতা বলে স্বীকার করেনি ।
১৪)অসম বিরোধিতায় কীরূপ পার্থক্য দেখা যায় ?
Ans: পরিমাণের পার্থক্য দেখা যায় ।
১৫)দু’টি সামান্য বচনের মধ্যে কোন বিরোধিতার সম্বন্ধ হয় ?
Ans: বিপরীত বিরোধিতার ।
১৬)অসম বিরোধিতা কাকে বলে ?
Ans: দু’টি বচন গুণের দিক থেকে এক হয়েও যদি পরিমাণের দিক থেকে ভিন্ন হয় তবে উভয় গুণের মধ্যবর্তী সম্পর্ককে অসম বিরোধিতা বলা হয় ৷
১৭)বচনের বিরোধিতা কাকে বলে ?
Ans: যদি দু’টি বচনের একই উদ্দেশ্য ও একই বিধেয় থাকে , কিন্তু তাদের মধ্যে গুণ ও পরিমাণ উভয় দিক থেকেই পার্থক্য থাকে তাহলে বচন দু’টির পারস্পরিক সম্বন্ধকে বলে বচনের বিরোধিতা ।
১৮)বচনের বিরোধিতার একটি উদাহরণ দাও ।
Ans: বচনের বিরোধিতার উদাহরণ হলো- সকল মানুষ হয় মরণশীল (A) কোনো মানুষ নয় মরণশীল ( E )
১৯)তর্কবিদ্যায় বিরোধিতার অর্থ কী ?
Ans: চিত্তর তর্কবিদ্যায় বিরোধিতার অর্থ হলো বচনের বিরোধিতা ।
২০)বচনের বিরোধিতায় কীরূপ পার্থক্য দেখা যায় ?
Ans: গুণ ও পরিমাণের পার্থক্য দেখা যায় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন