দশম শ্রেণী
মাধ্যমিক বাংলা জ্ঞানচক্ষু
West Bengal Madhyamik Class 10th Bengali Question and Answer
মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা গল্প – জ্ঞানচক্ষু / আশাপূর্ণা দেবী MCQ, সংক্ষিপ্ত, অতি সংক্ষিপ্ত এবং রচনাধর্মী প্রশ্ন ও উত্তর।
• নিচের প্রশ্নগুলির সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো । Mcq প্রশ্নোত্তর - প্রতিটি প্রশ্নের মান 1 নাম্বার।
১) “ শুধু এইটাই জানা ছিল না” – অজানা বিষয়টি হলো – মেসো একজন লেখক।
২)ছোটোমাসি আত্মপ্রসাদের প্রসন্নতা নিয়ে বসে- ডিম ভাজা আর চা খায়।
৩)“আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম ” উক্তিটির বক্তা - মেজোকাকু।
৪)“গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল তপনের ” এর কারণ হলো - স্বরচিত গল্প পাঠের অনুভূতি।
৫)“যেন নেশায় পেয়েছে ” যে নেশার কথা বলা হয়েছে- গল্প লেখার নেশা।
৬)তপন অবশ্য মাসির এই হইচইতে মনে মনে হয়- পুলকিত।
৭)“কই পড়, লজ্জা কী ? পড় সবাই শুনি। ” কথাটি বলেছিলেন তপনের- মা।
৮)ঠাট্টা – তামাশার মধ্যে তপন যেক’টি গল্প লিখেছে- দুই তিনটি।
৯)মামার বাড়িতে থেকে তপন প্রথম যে গল্পটি লিখেছিল- দুপুর বেলায়।
১০)তপনের হাত আছে - কথাটির অর্থ হলো- ভাষার দখল।
• নিচের প্রশ্নগুলির দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও। অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর।
১) ” তপন আর পড়তে পারে না । ” কেন তপন আর পড়তে পারে না ?
Ans: নিজের লেখা ছাপানো গল্পটি পড়তে গিয়ে যখন তপন দেখে গল্পটিকে মেসো আগাগোড়াই কারেকশান করে নিজের পাকা হাতের কলমে নতুন করে লিখেছেন তখন তপন আর পড়তে পারে না।
২)“ ক্রমশ ও কথাটাও ছড়িয়ে পড়ে । ” কোন কথাটা ?
Ans: তপনের লেখা গল্পটি কিছুটা ‘ কারেকশান ‘ করে মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপিয়েছেন – এই কথাটিই সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে ।
৩)“ তা ঘটেছে , সত্যিই ঘটেছে । ” কী ঘটেছে ?
Ans: তপনের লেখা গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে এই ঘটনাই ঘটেছে ।
৪) ” বুকের রক্ত ছলকে ওঠে তপনের । ” কেন তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে ?
Ans: তপনদের বাড়িতে বেড়াতে আসা ছোটোমাসি আর মেসোমশাই – এর হাতে থাকা ‘ সন্ধ্যাতারা ‘ পত্রিকার একটি সংখ্যা দেখে তপনের বুকের রক্ত ছলকে ওঠে । কারণ তপন ভাবে হয়তো তার অপেক্ষার অবসান এবার ঘটতে চলেছে নিজের লেখা গল্প ছাপার মধ্য দিয়ে ।
৫)” তপন অবশ্য মাসির এই হইচইতে মনে মনে পুলকিত হয় । ” তপনের এই পুলকের কারণ কী ?
Ans: কারণ তপন ভাবে তার লেখার প্রকৃত মূল্য বুঝলে একমাত্র নতুন মেসোই বুঝবে ।
৬) “ গল্প ছাপা হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হবার কথা সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না । ” উদ্দিষ্ট ব্যক্তির আহ্লাদিত হতে না পারার কারণ কী ?
Ans: গল্পটি ছাপানো নিয়ে তপনের থেকে তার নতুন মেসোর মহত্ত্বের কথাই বেশি করে প্রচারিত হওয়ায় তপনের গল্প ছাপার আহ্লাদটা হারিয়ে যায় ।
৭) “ এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের ” - কোন বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল ?
Ans: একজন লেখকের আচরণও যে আর পাঁচটা সাধারণ মানুষের মতোই হয়ে থাকে সেই বিষয়ে তপনের সন্দেহ ছিল ।
৮)” বিকেলে চায়ের টেবিলে ওঠে কথাটা ” - চায়ের টেবিলে কোন কথা ওঠে?
Ans: তপনের লেখা গল্পটি তার নতুন মেসোমশাই সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেবেন - এই কথাই চায়ের টেবিলে ওঠে ।
৯)তপনের লেখা গল্প পড়ে ছোটোমাসি কী বলেছিল ?
Ans: ছোটোমাসি বলে- “ ও মা এতো বেশ লিখেছিসরে; কোনোখান থেকে টুকলিফাই করিসনি তো ? ”
১০)“ এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা ” - কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে ?
Ans: ছোটোমাসি আর মেসোমশাই যেদিন সন্ধ্যাতারা ‘ পত্রিকার একটি সংখ্যা নিয়ে তপনদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন , সেই ঘটনার কথা বলা হয়েছে ।
১১)“ পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে ” – কোন ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে ?
Ans: তপনের লেখা গল্পটি ছাপার অক্ষরে হাজার হাজার ছেলের হাতে ঘুরবে , এই ঘটনাকেই অলৌকিক ঘটনা বলা হয়েছে ।
১২)“ সূচিপত্রেও নাম রয়েছে ” সেখানে কী লেখা ছিল ?
Ans: আশাপূর্ণা দেবীর ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ গল্পে - সন্ধ্যাতারা পত্রিকার সূচিপত্রে লেখা ছিল প্রথম দিন (গল্প) শ্রী তপন কুমার রায় ।
• নিচের প্রশ্নগুলির ব্যাখ্যা সহযোগে 4, 5 টি বাক্যে উত্তর দাও। Saq- প্রশ্ন উত্তর।
১) “ তার চেয়ে দুঃখের কিছু নেই , তার থেকে অপমানের । ” কার সম্পর্কে এ মন্তব্য ? তার চেয়ে -বলতে কী বোঝানো হয়েছে ?
Ans: ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ গল্পের অন্যতম চরিত্র তপন সম্পর্কে উদ্ধৃত মন্তব্যটি করা হয়েছে । মা যখন তাকে গল্পটি পড়তে বলে তখন তপন গল্পটি পড়তে গিয়ে দেখে তার প্রতিটি লাইনই তো নতুন আনকোরা যা তপনের কাছে অপরিচিত । সংশোধনের নাম করে ছোটোমেসো সম্পূর্ণ গল্পটিই নতুন করে লিখে দিয়েছেন নিজের পাকা হাতের কলমে। সেই গল্পের মধ্যে তপনের লেখার কোনো ছোঁয়াই না থাকায় নিজের লেখা পড়তে বসে অন্যের লেখা পড়ার থেকে দুঃখের কিছু আছে বলে তপনের মনে হয় না । ‘ তার চেয়ে ‘ কথাটির মধ্যে দিয়ে এভাবেই দুঃখ ও অপমানের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে ।
২)” তপন যেন কোথায় হারিয়ে যায় এইসব কথার মধ্যে । ” এইসব কথা - বলতে কী বোঝানো হয়েছে ? তপনের হারিয়ে যাওয়ার কারণ কী ?
Ans: তপনের লেখা গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও মেসোর কারেকশানের কথাটিই ছড়িয়ে পড়ে সারা বাড়িতে । এতে তপনের বাবা ও মেজোকাকু মেসোমশাইকেই তপনের থেকে বেশি গুরুত্ব দেন । মেজোকাকু বলেন- “ তা ওরকম একটি লেখক মেসো থাকা মন্দ নয়।আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম। ” আর সেইসঙ্গে বলা হয় , নতুন মেসো না থাকলে তপনের লেখা- সন্ধ্যাতারার সম্পাদক হয়তো আঙুল দিয়েও ছুঁতো না । এইসব কথাই তপনের লেখা সম্পর্কে বলা হয়।
গল্প ছাপা হলে তপনের যে আনন্দটা হবার কথা সেটা অদৃশ্য হওয়াতেই তপন হারিয়ে যায় ।
• নিচের প্রশ্নগুলির বিশ্লেষণ করো। রচনাধর্মী বড়োপ্রশ্ন।
১)” সত্যি তপনের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিনটি এলো আজ ” –উদ্ধৃতাংশটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে ? তপনের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিনটি কী ছিল?
অথবা ,
" পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে" উদ্ধৃতাংশটি কোথা থেকে নেওয়া হয়েছে ? কোন ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে ?
২)‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ গল্পে তপনের চরিত্রটি আলোচনা করো ।
৩) ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের জীবনের সবচেয়ে সুখের দিনটি কীভাবে দুঃখের দিনে পরিণত হলো তা নিজের ভাষায় লেখো ।
৪)“ শুধু এই দুঃখের মুহূর্তে গভীরভাবে সংকল্প করে তপন ” –কোন মুহূর্তকে দুঃখের বলা হয়েছে ? তপনের কাছে মুহূর্তটি দুঃখের বলে মনে হয়েছে কেন ? তপন কী সংকল্প করেছে ?
৫)“নতুন মেসোকে দেখে ‘ জ্ঞানচক্ষু ‘ খুলে গেল তপনের ” - উৎস লেখো । উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন