প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা তোমাদের এই ব্লগের মাধ্যমে প্রথম অধ্যায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 4 নম্বরের প্রশ্নের উত্তর আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নটি আসার সম্ভাবনা এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রবল এবং এই প্রশ্নটি তোমাদের যেভাবে আমি উত্তর দিচ্ছি সেই সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক। চলো দেখে নেওয়া যাক প্রশ্নটা কি?
ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি কী কী?
সূচনা:-
আধুনিক ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইন্টারনেট বলা হয়। বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিভিন্ন বিষয়ের বিপুল পরিমাণ তথ্য বেশি পাওয়া যায় এজন্য বর্তমান যুগকে তথ্য বিস্ফোরণের যুগ বলে অভিহিত করা হয়। তবে ইতিহাসে তথ্য সংগ্রহ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাও যেমন আছে তেমন অসুবিধা আছে নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
সুবিধা:-
1. গবেষণা সংক্রান্ত বহু তথ্য এবং সে সংক্রান্ত বই খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যায়।
2. আধুনিক প্রযুক্তি ছাপা বইয়েরও ই-প্রকাশন রয়েছে সুতরাং ইন্টারনেট থেকে এই বইটি পড়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
3. বইপত্র কিনে গ্রন্থাকারে যাতায়াত করে তথ্য সংগ্রহ করতে যে বিপুল পরিমাণ ব্যয় হয় বা যে সময় লাগে ইন্টারনেটে ক্ষেত্রে খুব সহজেই, কম খরচে এই তথ্য পাওয়া সম্ভব হয় ল।
4. তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মনে কোন প্রশ্ন থাকলে অনেক সময় ইন্টারনেটে সেই প্রশ্ন লিখেও সরাসরি উত্তর পাওয়া যায়।
5. ইন্টারনেটের মাধ্যমে নানা ধরনের অনলাইন লাইব্রেরী থেকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ কোন বইয়ের কপি এমনকি সেই সংক্রান্ত ছবিও পাওয়া যায়।
অসুবিধা:-
1. এই ব্যবস্থায় সমগ্র গ্রন্থ পাঠের অভ্যাস অনেক সময় কিন্তু ব্যাহত হয়।
2. সব বইয়ের ই-সংস্করণ এই মুহূর্তে পাওয়া যায় না আর যদি পাওয়াও যায় সেগুলো অনেকটাই ব্যয়সাপেক্ষ।
3. ছাপা বই সর্বত্র সব অবস্থায় পড়া যায় কিন্তু ই- সংস্করনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উপর নির্ভর করতেই হয়।
4. গবেষণামূলক গ্রন্থ পাঠ এবং গবেষণা এক জিনিস নয় গবেষণার জন্য চাই লেখ্যাগার যা ইন্টারনেটে সম্ভব নয়।
5. ইন্টারনেটে অনেক সময় দেখা যায় অসত্য বা অর্ধসত্য বা তথ্য বিকৃত করে কোন একটি ঘটনাকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
মূল্যায়ন:- পরিশেষে একটি কথা বলা যায় যে ইন্টারনেট একটি আধুনিক প্রযুক্তি। আর বর্তমান যুগ হলো ইন্টারনেটের যুগ। তাই ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহ ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ভূমিকা যথেষ্ট রয়েছে। কিন্তু তাই বলে প্রথাগত ইতিহাস গবেষণা ও গ্রন্থের গুরুত্ব কোন অংশেই কমে যায় না। এর পাশাপাশি এটিও আমাদের খেয়াল রাখা দরকার যে ইন্টারনেটের সমস্ত তথ্য কতখানি সঠিক তা অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করা প্রয়োজন।
অপনার নিজস্ব যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে উল্লেখ করবেন আমরা তার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে যাতে এগুলো পৌঁছায় তার জন্য অনুরোধ- একটু শেয়ার করবেন।
ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের সুবিধা ও অসুবিধা গুলি কী কী?
সূচনা:-
আধুনিক ইতিহাস চর্চার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইন্টারনেট বলা হয়। বর্তমানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এবং বিভিন্ন বিষয়ের বিপুল পরিমাণ তথ্য বেশি পাওয়া যায় এজন্য বর্তমান যুগকে তথ্য বিস্ফোরণের যুগ বলে অভিহিত করা হয়। তবে ইতিহাসে তথ্য সংগ্রহ ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাও যেমন আছে তেমন অসুবিধা আছে নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
সুবিধা:-
1. গবেষণা সংক্রান্ত বহু তথ্য এবং সে সংক্রান্ত বই খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে পাওয়া যায়।
2. আধুনিক প্রযুক্তি ছাপা বইয়েরও ই-প্রকাশন রয়েছে সুতরাং ইন্টারনেট থেকে এই বইটি পড়ে নেওয়া সম্ভব হয়।
3. বইপত্র কিনে গ্রন্থাকারে যাতায়াত করে তথ্য সংগ্রহ করতে যে বিপুল পরিমাণ ব্যয় হয় বা যে সময় লাগে ইন্টারনেটে ক্ষেত্রে খুব সহজেই, কম খরচে এই তথ্য পাওয়া সম্ভব হয় ল।
4. তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে মনে কোন প্রশ্ন থাকলে অনেক সময় ইন্টারনেটে সেই প্রশ্ন লিখেও সরাসরি উত্তর পাওয়া যায়।
5. ইন্টারনেটের মাধ্যমে নানা ধরনের অনলাইন লাইব্রেরী থেকে ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ কোন বইয়ের কপি এমনকি সেই সংক্রান্ত ছবিও পাওয়া যায়।
অসুবিধা:-
1. এই ব্যবস্থায় সমগ্র গ্রন্থ পাঠের অভ্যাস অনেক সময় কিন্তু ব্যাহত হয়।
2. সব বইয়ের ই-সংস্করণ এই মুহূর্তে পাওয়া যায় না আর যদি পাওয়াও যায় সেগুলো অনেকটাই ব্যয়সাপেক্ষ।
3. ছাপা বই সর্বত্র সব অবস্থায় পড়া যায় কিন্তু ই- সংস্করনের ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না। সে ক্ষেত্রে প্রযুক্তির উপর নির্ভর করতেই হয়।
4. গবেষণামূলক গ্রন্থ পাঠ এবং গবেষণা এক জিনিস নয় গবেষণার জন্য চাই লেখ্যাগার যা ইন্টারনেটে সম্ভব নয়।
5. ইন্টারনেটে অনেক সময় দেখা যায় অসত্য বা অর্ধসত্য বা তথ্য বিকৃত করে কোন একটি ঘটনাকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
মূল্যায়ন:- পরিশেষে একটি কথা বলা যায় যে ইন্টারনেট একটি আধুনিক প্রযুক্তি। আর বর্তমান যুগ হলো ইন্টারনেটের যুগ। তাই ইতিহাসের তথ্য সংগ্রহ ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের ভূমিকা যথেষ্ট রয়েছে। কিন্তু তাই বলে প্রথাগত ইতিহাস গবেষণা ও গ্রন্থের গুরুত্ব কোন অংশেই কমে যায় না। এর পাশাপাশি এটিও আমাদের খেয়াল রাখা দরকার যে ইন্টারনেটের সমস্ত তথ্য কতখানি সঠিক তা অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই করা প্রয়োজন।
অপনার নিজস্ব যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে উল্লেখ করবেন আমরা তার উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব। মাধ্যমিক ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে যাতে এগুলো পৌঁছায় তার জন্য অনুরোধ- একটু শেয়ার করবেন।

প্রষ্ঞ গুলির উত্তর খুব ভালো।
উত্তরমুছুনThank you 💐
উত্তরমুছুন