প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা এই ব্লগের মাধ্যমে তোমাদেরকে ইতিহাসের প্রথম অধ্যায়ের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ 4 নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর আলোচনা করলাম। এই প্রশ্নটি তোমরা ভালো করে পড়বে।
1. নারী ইতিহাস চর্চার বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ:
সূচনা:-
প্রচলিত ইতিহাসে নারীর ভূমিকা বা অধিকারের যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজনে নারীর গুরুত্বকে তুলে ধরার ইতিহাস চর্চাই হল নারী ইতিহাস। মানবজাতির অর্ধেক অংশ যে নারী তাকে অতীতে কখনোই পুরুষের সমান গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হতো না কিন্তু নারী কোন অংশেই পুরুষের থেকে কম নয়; তাই নারী ইতিহাস চর্চা অবশ্যই প্রয়োজন।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:- নারী ইতিহাস চর্চার বৈশিষ্ট্য গুলি হল-
1. পুরুষকেন্দ্রিক ইতিহাস সংশোধন:-
অতীতে বারবার সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকাকে বেশি করে চিহ্নিত করা হয়েছে আর নারীরা উপেক্ষিত হয়েছে। তাই উপেক্ষিত নারীদের ইতিহাস উদ্ধারের কাজ হলো এই ইতিহাসের বৈশিষ্ট্য।
2. ইতিহাসে নারীর ভূমিকা:-
যুগে যুগে ইতিহাসে নারীর অসামান্য অবদান রয়েছে, যেমন, নেফারতিতি, ক্লিওপেট্রা, রাজিয়া, নূরজাহান, দুর্গাবতী প্রমূখ নারী নিজের যোগ্যতার দ্বারা প্রাচীন ও মধ্যযুগের রাজনৈতিক ক্ষমতার সিংহাসনে আসীন হয়েছে যার প্রতিচ্ছবি দেখা যায় বর্তমান দিনেও।
3. অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা:-
এই ইতিহাস চর্চার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নারীর অধিকার এবং নারী পুরুষ সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম লেখালেখি করেন ইংল্যান্ডের মেরি ওলস্টোনক্রাফট এবং পরবর্তীকালে ফ্রান্সের সিমোন দ্য বোভোয়ার।
4. সভ্যতার অগ্রগতির মাপকাঠি:-
কোন দেশের সভ্যতা ও সমাজে নারীর অবস্থান ও মর্যাদার ওপর সেই সভ্যতার উৎকর্ষ নির্ভর করে বলে নারী ইতিহাস চর্চা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
5. নারী ইতিহাস চর্চার ব্যক্তিত্ব:-
বর্তমান দিনে নারী ইতিহাস চর্চা করেছেন এরকম কয়েকজন ব্যক্তি হলেন পাশ্চাত্যের লার্নার, জোয়ান কেলি, ভারতের নীরা দেশাই, বি আর নন্দ, রাজশ্রী বসু প্রমুখ।
মূল্যায়ন:-
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে নারী ইতিহাস চর্চা হলো এক ধরনের সংশোধনবাদী ইতিহাস চর্চা তবে এই ইতিহাস চর্চার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায়টি এই ভিডিওর মাধ্যমে তোমাদের বোঝানো হলো। পারলে এই ভিডিওটি দেখে নাও তোমাদেরই উপকার হবে।
1. নারী ইতিহাস চর্চার বৈশিষ্ট্য ও গুরুত্ব আলোচনা করো।
উত্তরঃ:
সূচনা:-
প্রচলিত ইতিহাসে নারীর ভূমিকা বা অধিকারের যথাযথ মূল্যায়নের প্রয়োজনে নারীর গুরুত্বকে তুলে ধরার ইতিহাস চর্চাই হল নারী ইতিহাস। মানবজাতির অর্ধেক অংশ যে নারী তাকে অতীতে কখনোই পুরুষের সমান গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হতো না কিন্তু নারী কোন অংশেই পুরুষের থেকে কম নয়; তাই নারী ইতিহাস চর্চা অবশ্যই প্রয়োজন।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:- নারী ইতিহাস চর্চার বৈশিষ্ট্য গুলি হল-
1. পুরুষকেন্দ্রিক ইতিহাস সংশোধন:-
অতীতে বারবার সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পুরুষের ভূমিকাকে বেশি করে চিহ্নিত করা হয়েছে আর নারীরা উপেক্ষিত হয়েছে। তাই উপেক্ষিত নারীদের ইতিহাস উদ্ধারের কাজ হলো এই ইতিহাসের বৈশিষ্ট্য।
2. ইতিহাসে নারীর ভূমিকা:-
যুগে যুগে ইতিহাসে নারীর অসামান্য অবদান রয়েছে, যেমন, নেফারতিতি, ক্লিওপেট্রা, রাজিয়া, নূরজাহান, দুর্গাবতী প্রমূখ নারী নিজের যোগ্যতার দ্বারা প্রাচীন ও মধ্যযুগের রাজনৈতিক ক্ষমতার সিংহাসনে আসীন হয়েছে যার প্রতিচ্ছবি দেখা যায় বর্তমান দিনেও।
3. অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা:-
এই ইতিহাস চর্চার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো নারীর অধিকার এবং নারী পুরুষ সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা। নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বপ্রথম লেখালেখি করেন ইংল্যান্ডের মেরি ওলস্টোনক্রাফট এবং পরবর্তীকালে ফ্রান্সের সিমোন দ্য বোভোয়ার।
4. সভ্যতার অগ্রগতির মাপকাঠি:-
কোন দেশের সভ্যতা ও সমাজে নারীর অবস্থান ও মর্যাদার ওপর সেই সভ্যতার উৎকর্ষ নির্ভর করে বলে নারী ইতিহাস চর্চা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
5. নারী ইতিহাস চর্চার ব্যক্তিত্ব:-
বর্তমান দিনে নারী ইতিহাস চর্চা করেছেন এরকম কয়েকজন ব্যক্তি হলেন পাশ্চাত্যের লার্নার, জোয়ান কেলি, ভারতের নীরা দেশাই, বি আর নন্দ, রাজশ্রী বসু প্রমুখ।
মূল্যায়ন:-
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে দেখা যায় যে নারী ইতিহাস চর্চা হলো এক ধরনের সংশোধনবাদী ইতিহাস চর্চা তবে এই ইতিহাস চর্চার যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে।
মাধ্যমিক ইতিহাসের প্রথম অধ্যায়টি এই ভিডিওর মাধ্যমে তোমাদের বোঝানো হলো। পারলে এই ভিডিওটি দেখে নাও তোমাদেরই উপকার হবে।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন