Click Below

Breaking

Know more

Search

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

আইএসিএস - টীকা || ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স || মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর

Madhyamik History Suggestion



 প্রশ্ন : বাংলায় আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে আইএসিএস এর অবদান লেখ।

অথবা, টীকা লেখ : IACS 

অথবা, ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স এর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা সম্পর্কে আলোচনা করো।


উত্তর:-

সূচনা :- বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণা ও চর্চার উদ্দেশ্যে উনিশ শতকে ভারতে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠে সেগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স বা সংক্ষেপে IACS ।


প্রতিষ্ঠা:- বিখ্যাত চিকিৎসক ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার বিজ্ঞানের অধ্যাপক ফাদার ইউ জিন লাফোর সহযোগিতায় ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে ২৯  জুলাই কলকাতার বউবাজার স্ট্রিটে এটি প্রতিষ্ঠা করেন পরবর্তীকালে স্বাধীনতার পর এই প্রতিষ্ঠানটি যাদবপুরে স্থানান্তরিত হয় ।


পরিচালনা : ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার আমৃত্যু এই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠান পরিচালন সমিতির সদস্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন  পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কেশব চন্দ্র সেন প্রমুখ। প্রতিষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেন গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমূখ।


গবেষণা : এই প্রতিষ্ঠানে পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় নিয়মিত মৌলিক গবেষণা এবং বিজ্ঞান বিষয়ক বক্তৃতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয় ।এইসব গবেষণা ও বক্তৃতা প্রদানের কাজে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী অংশ নিয়েছেন যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন জগদীশচন্দ্র বসু, আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রামন, মেঘনাথ সাহা, কেএস কৃষ্ণান প্রমূখ।


গবেষণাপত্র : নিজেদের বিজ্ঞান চর্চা ও গবেষণা মূলক কাজ গুলি প্রকাশের জন্য আইএসিএস ইন্ডিয়ান জার্নাল অফ ফিজিকস নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করে। এছাড়া দেশ-বিদেশের বিভিন্ন গবেষণা পত্র ও বিজ্ঞান পত্রিকায় এখানকার গবেষক ও বিজ্ঞানীদের গবেষণার কাজ প্রকাশিত হতো। এ প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য এই প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করে বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন তার বিখ্যাত রমন ক্রিয়া আবিষ্কার করেন যার জন্য তিনি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার পান।


মূল্যায়ন :- পরিশেষে বলা যায় এই প্রতিষ্ঠান নিঃসন্দেহে ভারতের আধুনিক বিজ্ঞান শিক্ষাদানের প্রসারে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। এই প্রতিষ্ঠান সূত্র ধরেই পরবর্তীতে অন্যান্য বিজ্ঞান বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ও কলেজ গড়ে ওঠে।







কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here