Click Below

Breaking

Know more

Search

বৃহস্পতিবার, ৬ মে, ২০২১

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "গোরা" উপন্যাস || "গোরা" উপন্যাস || মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

 মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

Madhyamik History Suggestion

গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর


প্রশ্ন : ভারতীয় জাতীয়তাবাদের বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "গোরা" উপন্যাসের ভূমিকা ছিল ?

অথবা,

টীকা লেখ : জাতীয়তাবাদ বিকাশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের "গোরা " উপন্যাস

উত্তর :

সূচনা : ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারতবর্ষের মধ্যে জাতীয়তাবোধ এবং স্বদেশপ্রেমের ভাবধারা জাগ্রত করার ক্ষেত্রে ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গোরা উপন্যাসটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :- 

১. প্রকৃত ভারতের স্বরূপ তুলে ধরা :- গোরা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোরা বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দাদের সুখ-দুঃখের খোঁজখবর নিতে গিয়ে ভারতবর্ষের সত্যিকারের রূপটি চিনতে পারেন।

২. ধর্মীয় পরিচয়ের গুরুত্বহীনতা : ভারতীয় সভ্যতার প্রতি ব্রিটিশদের ঘৃণা ও বিদ্বেষ লক্ষ্য করে গোরা উগ্র হিন্দুত্ববাদী আদর্শের প্রতি আকৃষ্ট হয়।কিন্তু পরে তার দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় ঘটে এবং সে উপলব্ধি করে যে ধর্মীয় পরিচয় একমাত্র বা সবথেকে বড় পরিচয় নয়।

৩. আক্রমণের বিরোধিতা :- গোরা র চরিত্রের মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পাশ্চাত্য সভ্যতার বিরুদ্ধে সরব হন। তার গোরা প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার উৎকর্ষতায় মুগ্ধ হয় এবং সংকল্প করে যে, স্বদেশের প্রতি স্বদেশবাসীর শ্রদ্ধা সে ফিরিয়ে আনবেই, তারপর অন্য কাজ। হিন্দু সভ্যতার বিরোধী জনৈক মিশনারির বিরুদ্ধে সম্মুখ বিতর্কে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।

৪. দেশাত্মবোধ : মহিম বা কৃষ্ণ দয়ালের মত দুই একজন স্বার্থপর ব্যক্তি ছাড়া গোরা উপন্যাসে উল্লেখিত ব্রাহ্ম সমাজের অধিকাংশ সদস্যই ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ। "মা, তুমি আমার মা", "আমি ভারতীয় " - গোরা র এইসব উক্তি ভারতবর্ষের মনে জাতীয়তা বোধ জাগ্রত করে।



মূল্যায়ন :- পরিশেষে বলা যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই গোরা উপন্যাস মানুষকে ভাবতে বাধ্য করে মানুষের আসল পরিচয় কখনোই ধর্মীয় পরিচয় নয়, তার আসল পরিচয় হলো সে মানুষ - যার মান এবং হুস আছে। 

















কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here