Click Below

Breaking

Know more

Search

রবিবার, ২৩ মে, ২০২১

বসু বিজ্ঞান মন্দির - টীকা || জগদীশচন্দ্র বসু ও বসু বিজ্ঞান মন্দির || মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

 মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

পঞ্চম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর

Madhyamik History Suggestion





প্রশ্ন :- টীকা লেখ : বসু বিজ্ঞান মন্দির

অথবা, বিজ্ঞানের গবেষণার ক্ষেত্রে বসু বিজ্ঞান মন্দির এর অবদান আলোচনা করো।

অথবা, বিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞান শিক্ষার বিকাশে বসু বিজ্ঞান মন্দিরের উৎকর্ষতা সম্পর্কে আলোকপাত করো।


উত্তর

সূচনা : ঔপনিবেশিক শাসনকালে বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা ও বিজ্ঞান শিক্ষার বিকাশ এর উদ্দেশ্যে যে সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে সেগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল বসু বিজ্ঞান মন্দির বা বোস ইনস্টিটিউট। খ্যাতনামা বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ঘুরে যে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেন তার ওপর ভিত্তি করে তিনি এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠা করেন।


গঠনের উদ্দেশ্য : স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু এই প্রতিষ্ঠানটি তৈরি করেছিলেন মূলত ভারতবর্ষে বিশ্বমানের বিজ্ঞান চর্চার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এবং এর জন্য তিনি তার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থের বৃহদাংশ এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ব্যয় করেন । টাকার অভাবে গবেষণার কাজে সমস্যা দেখা দিলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে অর্থ সাহায্য করেন।

উন্নত গবেষণা : - বসু বিজ্ঞান মন্দির পদার্থবিজ্ঞান, রসায়নবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা, মাইক্রোবায়োলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, বায়োফিজিক্স, পরিবেশ বিজ্ঞান প্রভৃতি বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় বিশ্বমানের গবেষণার ব্যবস্থা করেন। তিনি এখানকার গবেষণাপত্র গুলি প্রকাশের জন্য পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা করেন।


ক্রেস্কোগ্রাফ আবিষ্কার : বসু বিজ্ঞান মন্দির এই দীর্ঘ গবেষণার পর জগদীশচন্দ্র বসু ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন। এই যন্ত্রের সাহায্যে তিনি প্রমাণ করেন যে প্রাণীদের মতো উদ্ভিদেরও প্রাণ এবং অনুভূতি শক্তি আছে। এখানকার গবেষণার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফল হল জগদীশচন্দ্র বসু করতে রেডিও আবিষ্কার বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেছে।


মূল্যায়ন : বাংলা তথা ভারতের বিজ্ঞান বিষয়ক গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে বসু বিজ্ঞান মন্দির এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে তবে এর অবদান শুধুমাত্র বাংলাতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, এর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। বিজ্ঞানের গবেষণায় জগদীশচন্দ্র বসুর এই অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার ১৯১৭ খ্রিস্টাব্দে তাকে নাইট বা স্যার উপাধি প্রদান করেন।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here