Click Below

Breaking

Know more

Search

রবিবার, ২৩ মে, ২০২১

বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট - টীকা || মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

মাধ্যমিক ইতিহাস সাজেশন

পঞ্চম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বরের প্রশ্ন ও উত্তর

Madhyamik History Suggestion




 প্রশ্ন : টীকা লেখ : বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট

অথবা, বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট বাংলার কারিগরি শিক্ষার বিকাশে কি অবদান রেখেছে।

অথবা, কারিগরি শিক্ষার বিকাশে বাংলায় বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এর কি ভূমিকা ছিল ?


উত্তর  : 

সূচনা:

ঔপনিবেশিক শাসনকালে বাংলায় কারিগরি শিক্ষার বিকাশ এর উদ্দেশ্যে যে সকল প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম হলো বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট। 


প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রেক্ষাপট :- ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী স্বদেশী আন্দোলন শুরু হলে শিক্ষাক্ষেত্রেও স্বদেশী আন্দোলনের প্রভাব পড়ে এবং এই সময় তারকনাথ পালিত কলকাতায় ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে একটি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন যার নাম হয় বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট।


জাতীয় শিক্ষার উদ্যোগ : স্বদেশী আন্দোলনের সময় দেশে ব্রিটিশ সরকারের শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়।জাতীয় শিক্ষা একটি অন্যতম উদ্যোক্তা ছিল বাংলায় স্বদেশী আছে কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং এই উদ্দেশ্যেই এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে। প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলতে তারকনাথ পালিত কে সাহায্য করেন মহারাজা মনীন্দ্র চন্দ্র নন্দী, ভূপেন্দ্র নাথ বসু, নীলরতন সরকার, রাজবিহারী ঘোষ প্রমুখ।


সমন্বয় :- দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক প্রসারের উদ্দেশ্যে ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ একত্রে মিশে যায় এবং এর নামকরণ হয় বেঙ্গল ন্যাশনাল কলেজ এন্ড টেকনিক্যাল স্কুল। এই ঐক্যবদ্ধ প্রতিষ্ঠানটি ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দে যাদবপুরে স্থানান্তরিত হয় এবং ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে এর নতুন নাম হয় কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বা CET। এখানকার ছাত্র-ছাত্রীরা টেক নামে একটি জার্নাল প্রকাশ করে।

কার্যক্রম :  কলা বিভাগের পাশাপাশি এখানে পদার্থবিদ্যা, রসায়ন প্রযুক্তি,শিল্প প্রযুক্তি প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে বাংলায় বহু শিক্ষিত যুবক কারিগরি বিদ্যা লাভ করে স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী হয়ে ওঠে।


মূল্যায়ন : পরিশেষে বলা যায় এই প্রতিষ্ঠানটি সমগ্র ভারতে কারিগরি শিক্ষার বিকাশে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে এটি পরিণত হয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় যা বর্তমানে সমানভাবে বহু শিক্ষিত যুবক যুবতীদের স্বনির্ভর ও স্বাবলম্বী করে তুলছে।



কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here