Click Below

Breaking

Know more

Search

সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১

দ্বাদশ শ্রেণী - উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস, পঞ্চম অধ্যায়ঃ ঔপনিবেশিক ভারতের শাসন || গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন।















উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস


দ্বাদশ শ্রেণী


পঞ্চম অধ্যায়ঃ ঔপনিবেশিক ভারতের শাসন।


গুরুত্বপূর্ণ ছোট প্রশ্ন





১) মর্লে মিন্টো শাসন সংস্কার - কবে পাস হয়? এর অন্য নাম কি?

১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে। 

অন্য নাম- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের 'কাউন্সিল আইন'।


২) মন্টেগু চেমসফোর্ড সংস্কার কবে হয়?

১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে।


৩) মর্লে কে ছিলেন?

তৎকালীন ভারত সচিব।


৪) কোন ভারতীয় সদস্য বড়লাট কার্যনির্বাহক পরিষদের সদস্য হন?

সত্যেন্দ্র প্রসন্ন সিংহ।


৫) 'লর্ড সিনহা' নামে কে পরিচিত ছিলেন?

সত্যেন্দ্র প্রসন্ন সিংহ।


৬) মর্লে মিন্টো সংস্কার অনুযায়ী কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের সদস্য কত বাড়ানো হয়?

১৬ থেকে বাড়িয়ে ৬০ করা হয়।


৭) মর্লে মিন্টো সংস্কার এর কয়টি ও কি কি দেখছিল?

দুটি। ক) কার্যনির্বাহক পরিষদ।

        খ) আইন পরিষদ।


৮) লখনৌ চুক্তি কবে কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?

১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে।


৯) হোমরুল আন্দোলন কবে হয়? এই আন্দোলনের দুজন নেতার নাম লেখ?

১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে। এই আন্দোলনের দুজন নেতার নাম হল- অ্যানি বেসান্ত, বালগঙ্গাধর তিলক।


১০) লখনৌ চুক্তির একটি গুরুত্ব লেখ?

১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের লখনৌ চুক্তির একটি গুরুত্ব হলো- ক) কংগ্রেসের মিলন:-এই লখনৌ চুক্তি তে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে হয়েছিল। যার ফলে একত্রে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল এই দুই শক্তি এবং কংগ্রেসের মিলন সাধন হয়েছিল মুসলিম লীগের সঙ্গে।


১১) মন্টেগু কে ছিলেন?

ভারত সচিব।


১২)  ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন এর সময় ভারতের বড়লাট কে ছিলেন?

লর্ড চেমসফোর্ড।


১৩) মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারের একটি ত্রুটি লেখ?

শাসন ব্যবস্থার অভাব:-এই আইনের দ্বারা ভারতের প্রতিনিধিত্বমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা করা হয়নি।


১৪) মন্টেগু-চেমসফোর্ড সংস্কারের কেন্দ্রীয় আইনসভা কয়টি ও কি কি ভাগে বিভক্ত হয়?

দুটি ভাগে বিভক্ত।

১) উচ্চকক্ষ রাষ্ট্রীয় পরিষদ।

২) কেন্দ্রীয় আইনসভা নিম্ন কক্ষ।


১৫) ব্রিটিশ সরকার গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনার জন্য কবে শ্বেতপত্র প্রকাশ করে?

১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে।


১৬) মর্লে মিন্টো সংস্কারের একটি ত্রুটি লেখ?

দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থার অভাব:- এই আইনের দ্বারা ভারতে কোনো দায়িত্বশীল শাসন ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি।


১৭) পুনা চুক্তি কি?

বি আর আম্বেদকর তপশিলি সম্প্রদায় এর জন্য আলাদা নির্বাচনের দাবি জানান। এরপর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামসে ম্যাকডােনাল্ড 'সাম্প্রদায়িক বাঁটোয়ারা' নীতি ঘােষণা করলে, ভারতের মুসলিম, খ্রিস্টান, ইউরােপীয় প্রভৃতি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পৃথক নির্বাচনের অধিকার দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়কে বর্ণহিন্দু’ ও ‘দলিত – হিন্দু– এই দুটি ভাগে ভাগ করে পৃথক নির্বাচনের কথা বলা হয়। এর প্রতিবাদে গান্ধিজি আমরণ অনশন করলে গান্ধিজির প্রাণ সংশয় দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে ডঃ বি আর আম্বেদকর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে 'পুনা চুক্তি' স্বাক্ষর করে দলিতদের পৃথক নির্বাচনের দাবী থেকে সরে এলে গান্ধিজি অনশন ভঙ্গ করেন।


১৮) প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোল টেবিল বৈঠক কবে হয়?

প্রথম- ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দে।

দ্বিতীয়- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে।

তৃতীয়- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে।


১৯) দ্বিতীয় গোলটেবিল বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে কারা যোগ দেন?

জাতীয় কংগ্রেস, মুসলিম লীগ, বি আর আম্বেদকর, গান্ধীজী, সরোজনী নাইডু।


২০) কোন ভারত শাসন আইন দ্বারা 'দ্বৈত শাসন' চালু হয়?

১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন দ্বারা।


২১) কবে কার নেতৃত্বে 'রাওলাট আইন' প্রবর্তন হয়?

১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে, স্যার সিডনি রাওলাট এর নেতৃত্বে।

উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস পঞ্চম অধ্যায়ের আরো শর্ট প্রশ্ন পড়তে-CLICK HERE


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here