Click Below

Breaking

Know more

Search

রবিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৩

ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে পুরাণ, বীরগাথা, স্মৃতি ও মৌখিক রীতির গুরুত্ব লেখো।



ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে পুরাণ, বীরগাথা, স্মৃতি ও মৌখিক রীতির গুরুত্ব লেখো।

উত্তর - ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে যে যে বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয় সেই বিষয়গুলির মধ্যে পুরাণ, বীরগাথা, স্মৃতি, মৌখিক রীতি বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

পুরাণ : - পুরাণ অনেক সময়ই লিখিত আকারে আবিষ্কৃত হয়েছে। পুরাণ সু প্রাচীন কাল থেকে অতীত অনুসন্ধানের একটি মাধ্যম রূপে কাজ করে আসছে। প্রাচীন ভারতের ইতিহাস রচনার একটি অন্যতম উপাদান হলো পুরাণ। জনসাধারণের বিতরণের ক্ষেত্রেও পুরাণ গুলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


বিরগাথা:- অতীতকে কল্পনা করে অতীতের ইতিহাস আলোচনার অন্যতম মাধ্যম বীরগাথা। বীর ব্যক্তির জীবনী প্রজন্ম মানুষকে অত্যন্ত প্রভাবিত করে। যার থেকে জন্ম নেয় কিংবদন্তি কাহিনী তথা বীরগাথা। কিংবদন্তি কাহিনীগুলি জনসাধারণের কাছে রাজার বা ব্যাক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করে। আবার কিংবদন্তির কাহিনীগুলি অন্য ধরনের প্রচারেও গুরুত্বপূর্ণ। যেমন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রাণপুরুষ তিলক কর্তৃক প্রচারিত শিবাজীর বীরগাথা মহারাষ্ট্রের জনগণকে জাতীয়তা বোধে উদ্বুদ্ধ করেছিল কিম্বা ফ্রান্সের লুই নেপোলিয়ন নিজের শাসনের প্রতি জনসমর্থন আদায় করতে নেপোলিয়নের বীরগাথা প্রচার করেছিলেন।


স্মৃতি:- প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের স্মৃতি বা অতীত অভিজ্ঞতার কাহিনী লিখে রাখতে পারে। এই লিখিত স্মৃতি বা কথোপকথন এর মধ্যে দিয়ে অতীতের গৌরবোজ্জল স্মৃতি আমাদের সামনে ফুটে ওঠে। স্মৃতিকে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে ব্যবহার করার বেশ কিছু সমস্যাও আছে। কারণ সব স্মৃতিই ইতিহাস নয়। মানুষের স্মৃতিতে এমন অনেক ব্যক্তিগত বিষয় লুকিয়ে থাকে, যার সঙ্গে ইতিহাসের সম্পর্ক খুব কম। যেমন হিটলারের নাতসি বাহিনীর বিভৎসতার কথা সমসাময়িক স্মৃতিকথায় ভালো জানা যায়।


মৌখিক রীতি :- মৌখিক রীতি হলো এমন একটি সাংস্কৃতিক বিষয় যা এক প্রজন্ম থেকে আরেকটি প্রজন্মে বয়ে চলে। সাধারণভাবে মৌখিক রীতি বা ইতিহাস বিষয়ে তথ্য বার করা হয় পারিবারিক সদস্য, প্রতিবেশী ও সহযোগীদের সঙ্গে কথোপকথনে উঠে আসা বিবরণ থেকে। মৌখিক রীতি মৌখিক ইতিহাসের একটি অংশবিশেষ।


আরো পড়ুন:- উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস | প্রথম অধ্যায় - অতীত স্মরণ (ছোট প্রশ্ন) - CLICK HERE

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Click Here